বাংলা নিউজ > ময়দান > AUS vs IND: অভিষেক মরশুমের পর এই প্রথমবার কোহলি বছর শেষ করলেন ওয়ান ডে সেঞ্চুরি ছাড়া
ফের হ্যাজেলউডের বলে আউট কোহলি। ছবি- টুইটার।
ফের হ্যাজেলউডের বলে আউট কোহলি। ছবি- টুইটার।

AUS vs IND: অভিষেক মরশুমের পর এই প্রথমবার কোহলি বছর শেষ করলেন ওয়ান ডে সেঞ্চুরি ছাড়া

  • আগের ১১টি ক্যালেন্ডার বর্ষে কোনও না কোনও ওয়ান ডে ম্যাচে তিন অঙ্কের ইনিংস খেলেন ভারত অধিনায়ক।

২০০৮ সালে অভিষেক মরশুমের পর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে এর আগে কখনও এমন হতাশাজনক নজিরের মুখে পড়তে হয়নি বিরাট কোহলিকে। ব্যাট হাতে ভারত অধিনায়ক এবছর ব্যর্থ হয়েছেন এমনটা বলা যাবে না। তবে ২০০৮ সালের পর কেরিয়ারে এই প্রথমবার কোনও ক্যালেন্ডার বর্ষে ওয়ান ডে সেঞ্চুরি করতে পারলেন না কোহলি।

এপর্যন্ত ২৫১টি ওয়ান ডে ম্যাচের ২৪২ ইনিংসে বিরাট ৫৯.৩১ গড়ে ১২০৪০ রান সংগ্রহ করেছেন। সেঞ্চুরি করেছেন ৪৩টি। আগের ১১ বছরে কোনও না কোনও একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে তিন অঙ্কের ইনিংস খেলেছিলেন কোহলি। কেবল ২০০৮ সালে ৫টি ম্যাচ খেলে কোনও শতরান করেননি তিনি। তার পর থেকে এই প্রথমবার তাঁকে বছর শেষ করতে হয় শতরান ছাড়াই।

করোনা মহামারির জন্য এবছর মাত্র ৯টি ওয়ান ডে খেলার সুযোগ পেয়েছেন কোহলি। ৪৭.৮৮ গড়ে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৪৩১ রান। হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন ৫টি। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ৮৯ রানের। চলতি ক্যালেন্ডার বর্ষে আর কোনও ওয়ান ডে খেলবে না টিম ইন্ডিয়া। সুতরাং নতুন করে শতরান করার কোনও সুযোগ নেই ভারত অধিনায়কের সামনে।

এদিকে বিরাট কোহলিকে চলতি সিরিজের তিনটি ম্যাচেই আউট করলেন জোস হ্যাজেলউড। তিনি পরপর চারটি ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে বিরাটের উইকেট তুলে নেন।

ক্যালেন্ডার বর্ষ অনুযায়ী কোহলির ওয়ান ডে সেঞ্চুরি:-

২০০৮ সালে ৫ ম্যাচে একটিও না।

২০০৯ সালে ১০ ম্যাচে ১টি।

২০১০ সালে ২৫ ম্যাচে ৩টি।

২০১১ সালে ৩৪ ম্যাচে ৪টি।

২০১২ সালে ১৭ ম্যাচে ৫টি।

২০১৩ সালে ৩৪ ম্যাচে ৪টি।

২০১৪ সালে ২১ ম্যাচে ৪টি।

২০১৫ সালে ২০ ম্যাচে ২টি।

২০১৬ সালে ১০ ম্যাচে ৩টি।

২০১৭ সালে ২৬ ম্যাচে ৬টি।

২০১৮ সালে ১৪ ম্যাচে ৬টি।

২০১৯ সালে ২৬ ম্যাচে ৫টি।

২০২০ সালে ৯ ম্যাচে একটিও না।

বন্ধ করুন