বাংলা নিউজ > ময়দান > ‘দাঁড়াতে না পেরে মেঝেতে হামাগুড়ি দিচ্ছিল’, পিঠে কতটা ব্যথা নিয়ে সিডনিতে ব্যাট করেন অশ্বিন, হদিশ দিলেন স্ত্রী প্রীতি
যন্ত্রণাকাতর অশ্বিন। ছবি- গেটি ইমেজেস।
যন্ত্রণাকাতর অশ্বিন। ছবি- গেটি ইমেজেস।

‘দাঁড়াতে না পেরে মেঝেতে হামাগুড়ি দিচ্ছিল’, পিঠে কতটা ব্যথা নিয়ে সিডনিতে ব্যাট করেন অশ্বিন, হদিশ দিলেন স্ত্রী প্রীতি

  • অসহ্য যন্ত্রণা সঙ্গে নিয়েই সিডনি টেস্টে ব্যাট করতে নামেন টিম ইন্ডিয়ার তারকা স্পিনার।

সিডনি টেস্টে ১২৮ বলে ৩৯ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে ভারতের হার বাঁচিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সিডনি টেস্টের পরেই অশ্বিনের স্ত্রী হদিশ দিয়েছিলেন কীভাবে অসহ্য যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেই এসসিজিতে লড়াই চালিয়েছেন তারকা স্পিনার। এবার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে স্বামীর এমন হার না মানা লড়াই নিয়ে কলম ধরলেন প্রীতি। জানালেন, যে রকম যন্ত্রণা নিয়ে খেলতে নেমেছিলেন অশ্বিন, তাতে সন্দেহাতীতভাবে এটাই তাঁর জীবনের সেরা ইনিংস।

প্রীতি লেখেন, ‘সেদিন সকালটা অত্যন্ত টেনশনে কেটেছে। সারা বছর ধরে ওকে (অশ্বিনকে) ব্যথা সহ্য করতে দেখেছি। জানি ওর যন্ত্রণা সহ্য করার ক্ষমতা অসীম। তবে আগে কখনও এমনটা দেখিনি। ও রীতিমতো মেঝেতে হামাগুড়ি দিচ্ছিল। উঠে দাঁড়াতে পারছিল না। পিঠ বাঁকাতে পারছিল না। আমি বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে ও খেলতে নামবে। হালকা চালেই বলেছিলাম হাল ছেড়ে দিতে। ও বলে, আমাকে খেলতেই হবে। আমাকে পারতেই হবে।’

অশ্বিনের ঘরণী আরও লেখেন, ‘সমস্যা শুরু হয় আগের দিন সন্ধ্যায়, চতুর্থ দিনের খেলার শেষে। টেলিভিশনে ওকে কয়েকবার অস্বস্তিতে থাকতে দেখি। রুমে ফিরেই ও ফিজিওর ঘরে চলে যায়। পরে ম্যাসাজ নিয়ে টিম মিটিংয়ে। দেরি হওয়ায় ওকে জিজ্ঞাসা করি, শরীর ঠিক আছে? জবাব দেয়, আমাকে বল করতে দেখনি?’

শেষে প্রীতি লেখেন, ‘পরের দিন সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। ও হামাগুড়ি দিচ্ছিল। ভেবে পাচ্ছিলান না, কীভাবে ও ব্যাট করবে। আমি জানতাম অন্য ক্রিকেটারদের চোট রয়েছে এবং ম্যাচ বাঁচানোর সুযোগ রয়েছে তখনও। পরিবারের সদস্য হওয়ায় আমাদের দুশ্চিন্তাটা অন্য মাত্রা পায়। পরে টিভিতে দেখি অশ্বিন প্যাড পরে ড্রেসিংরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি জানতাম ও এই ভয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, বসলে হয়ত আর উঠে দাঁড়াতে পারবে না।’

বন্ধ করুন