বাংলা নিউজ > ময়দান > Aus vs Ind: 'পরিবারকে যেতে না দিলে অজি সফরে যাব না', শাস্ত্রীর ‘টনিকে’ সমঝে যায় অস্ট্রেলিয়া
'পরিবারকে যেতে না দিলে অজি সফরে যাব না', শাস্ত্রীর ‘টনিকে’ সমঝে যায় অস্ট্রেলিয়া। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ইনস্টাগ্রাম এবং পিটিআই)
'পরিবারকে যেতে না দিলে অজি সফরে যাব না', শাস্ত্রীর ‘টনিকে’ সমঝে যায় অস্ট্রেলিয়া। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ইনস্টাগ্রাম এবং পিটিআই)

Aus vs Ind: 'পরিবারকে যেতে না দিলে অজি সফরে যাব না', শাস্ত্রীর ‘টনিকে’ সমঝে যায় অস্ট্রেলিয়া

  • ‘অস্ট্রেলিয়া সফর শুরু হওয়ার আগেই ওরা স্লেজিং শুরু করে দিয়েছিল। মাঠের বাইরে ওদের স্লেজিং শুরু হয়ে গিয়েছিল।’

সিরিজ শুরু হয়নি। তার আগেই মানসিকভাবে ভারতকে চাপে ফেলতে কোনও কসুর ছাড়েনি অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ভারত। বরং হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর পালটা হুঁশিয়ারিতে রাতারাতি পিছু হটতে বাধ্য হয় অস্ট্রেলিয়া। এমনটাই জানালেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর।

ঘটনাটি কী হয়েছিল? রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ইউটিউব চ্যানেলে শ্রীধর জানান, ভারতীয় দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফরে উড়ে যাওয়ার জন্য দুবাইয়ে নিভৃতবাসে ছিলেন তাঁরা। সেই নিভৃতবাস-পর্ব শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে জানানো হয়, অস্ট্রেলিয়া সরকারের কড়া নিয়মের কারণে খেলোয়াড়ের পরিবারের সদস্যরা যেতে পারবেন না। বিষয়টি সমাধানের জন্য ভারত-দুবাই-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। শ্রীধর বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সফর শুরু হওয়ার আগেই ওরা স্লেজিং শুরু করে দিয়েছিল। মাঠের বাইরে ওদের স্লেজিং শুরু হয়ে গিয়েছিল।’

ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ জানান, দলের সাত ক্রিকেটারের পরিবারের অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার কথা ছিল। তাঁরা দুবাইয়ে চলেও এসেছিলেন। শেষমুহূর্তে যে অনুমতি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে, তা কীভাবে খেলোয়াড়দের জানানো হবে, তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। তারপরেই আসরে নামেন শাস্ত্রী। শ্রীধর বলেন, ‘তারপরই আসরে নামেন রবি শাস্ত্রী। আমরা সবাই নিজেদের ঘরে নিভৃতবাস করছিলাম বলে উনি জুম কল করেন। (শাস্ত্রী বলেন), যদি আমার খেলোয়াড়দের পরিবারকে না যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে আমরাও অস্ট্রেলিয়ায় যাব না। তোমরা যা করতে পার, করে নাও। এটাই দলের মনোভাব। সঙ্গে যোগ করেন, আমার থেকে ভালোভাবে কেউ অস্ট্রেলিয়াকে চেনে না। ৪০ বছর ধরে আমি সেখানে যাচ্ছি। ওদের সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করা উচিত, কীভাবে দর কষাকষি করা উচিত, সেটা আমি জানি। আমি জানি। তারপর জোরে নিঃশ্বাস ফেলেন। উনি নিশ্চিত করেন যে উনি যা বলছেন, তা বিসিসিআই শুনেছিল।’ 

শাস্ত্রীর সেই হুঁশিয়ারিতেই কাজ হয়। শ্রীধর জানান, সপ্তাহান্তে রাতভরের চেষ্টায় অনুমতি জোগাড় করে অস্ট্রেলিয়ার বোর্ড। পরিবারকেও খেলোয়াড়দের সঙ্গে অজি সফরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তার ভিত্তিতেই অশ্বিনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় যান স্ত্রী প্রীতি এবং তাঁদের দুই মেয়ে। যাঁরা দুবাইয়ে নামার পরেই অশ্বিন জানতে পেরেছিলেন যে অজি সফরে পরিবারকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সে প্রসঙ্গে অশ্বিন বলেন, 'ওই খবরটা আমার স্ত্রী'কে জানাই। মজার ছলে ও বলে, ঠিক আছে। আমি তাহলে অন্য কাউকে দেখে নেব। ছ'মাস আমরা একে অপরকে দেখিনি। তখনই মেয়েদের সঙ্গে দুবাইয়ে নেমেছিল। ওদের জড়িয়ে ধরে ওঠার আগেই জানতে পারি যে পরিবারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।'

বন্ধ করুন