বাংলা নিউজ > ময়দান > Aus vs Ind: রাত ১২.৩০ টায় মেসেজ বিরাটের, অ্যাডিলেডে হারের দিনেই 'মিশন মেলবোর্ন' শুরু ভারতের
দেশে ফেরার আগে দলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরিতে বড় ভূমিকা বিরাটের। (ফাইল ছবি, রয়টার্স)
দেশে ফেরার আগে দলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরিতে বড় ভূমিকা বিরাটের। (ফাইল ছবি, রয়টার্স)

Aus vs Ind: রাত ১২.৩০ টায় মেসেজ বিরাটের, অ্যাডিলেডে হারের দিনেই 'মিশন মেলবোর্ন' শুরু ভারতের

  • '৩৬ রানই ভারতকে দুর্দান্ত করে তুলবে', রাত ১২.৩০ টায় বিরাটের মেসেজের পর শুরু 'মিশন মেলবোর্ন'।

ঘড়িতে তখন প্রায় রাত সাড়ে ১২ টা। অ্যাডিলেডে ৩৬ রানের ইনিংস শেষের লজ্জার রাতেই 'মিশন মেলবোর্ন'-এর সূচনা শুরু করেছিল ভারত। আর সেই রাত এবং পরদিন সকালে তৈরি হয়েছিল সিরিজে অভাবনীয় কিছু করে দেখানোর ব্লু-প্রিন্ট। এমনটাই জানালেন ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর।

রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ইউটিউব চ্যানেলে শ্রীধর বলেন, 'তখন রাত প্রায় সাড়ে ১২ টা বাজে। সেদিনই আমরা অ্যাডিলেড টেস্টে হেরেছি। বিরাট কোহলি আমায় মেসেজ করেন যে তুমি কী করছ? আমি হতবাক হয়ে যাই। আমি ভাবতে থাকি যে এই সময় কেন মেসেজ করছে? আমি বলি যে হেড কোচ (রবি শাস্ত্রী), আমি, ভরত অরুণ এবং বিক্রম রাঠৌর একসঙ্গে বসে আসি। ও (বিরাট) বলে যে আমিও যোগ দেব। আমি বলি যে কোনও সমস্যা নেই। চলে এস।'

সেই মেসেজের পর চার কোচের সঙ্গে যোগ দেন বিরাট। সেখানেই দ্বিতীয় টেস্ট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শ্রীধর বলেন, 'ও (বিরাট) সেখানে আসে এবং আমরা সবাই আলোচনা শুরু করি। সেখানেই শুরু হয় মিশন মেলবোর্ন। শাস্ত্রী বলেন যে এই ৩৬ একটা ব্যাজের মতো পড়ে থাকতে হবে। এই ৩৬-ই দলকে দুর্দান্ত তৈরি করবে।'

শাস্ত্রীর মন্তব্যে কিছুটা অবাক হয়ে যান শ্রীধররা। তবে সেই মন্ত্রে উদ্ধুদ্ধ হয়ে আলোচনা শুরু করেন তাঁরা। শ্রীধররের কথায়, 'পরদিন সকালে অজিঙ্কাকে (রাহানে) ফোন করেন বিরাট। আমাদের বেশ ভালো আলোচনা হয়েছিল। ৩৬ রানে অল-আউটের পর সাধারণত যে কোনও দল ব্যাটিংয়ে গভীরতা বাড়ায়। কিন্তু রবি শাস্ত্রী, বিরাট এবং অজিঙ্কা বোলিংকে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তাই বিরাটের পরিবর্তে রবীন্দ্র জাদেজাকে দলে নিয়ে আসা হয়েছিল এবং সেটা মাস্টারস্ট্রোক ছিল।'

বন্ধ করুন