বাংলা নিউজ > ময়দান > ১৭ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
জয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। ছবি- টুইটার।
জয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। ছবি- টুইটার।

১৭ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অল-আউট হয়ে যায় ২১৩ রানে।

শুভব্রত মুখার্জি

চট্টগ্রামে শেষ দিনে ২৮৫ রান করে এবং চতুর্থ ইনিংসে ৩৯৫ রান তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক হয়ে উঠেছিলেন অভিষেককারী কাইল মেয়ার্স। তাঁর দ্বিশতরানে ১-০'তে লিড নিয়েছিল ‌ক্যারিবিয়ান বাহিনী। দ্বিতীয় টেস্টে অবশ্য কামাল করে দেখালেন উইন্ডিজ বোলাররা। বাংলাদেশের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে তাদের দেশের মাটিতে তাদেরকেই পরাস্ত করল তারা। ঢাকার মাঠে ১৭ রানের এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জিতে ২-০'তে টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ করল ক্যারিবিয়ান বাহিনী।

করোনা পরবর্তীতে ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরটা একেবারেই সুখকর হল না বাংলাদেশের। চট্টগ্রামের পর মিরপুরেও ম্যাচ পকেটস্থ করতে ব্যর্থ হল মুমিনুল হকের দল। দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে আসা উইন্ডিজরা টাইগারদের ঘরের মাঠে নাস্তানাবুদ করে দিল। বাংলাদেশ অল আউট হয়ে গেল ২১৩ রানে। তাদের ব্যাটিংয়ে টেস্ট খেলার মানসিকতার অভাব একেবারে স্পষ্ট হয়ে ধরা দিল। প্রসঙ্গত এর আগে খর্বশক্তির ক্যারিবীয় দলকে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা। সেখান থেকে এই কামব্যাক এক কথায় অনবদ্য।

ম্যাচের চতুর্থ দিনে ঢাকা টেস্ট জয়ের জন্য টাইগার ব্যাটসম্যানদের প্রয়োজন ছিল মনযোগ, ধৈর্য্য এবং টেস্ট মানসিকতার। কিন্তু বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের দেখে মনে হল যেন তার ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে খেলতে নেমেছে। নিয়মিত বিরতিতে পড়তে থাকে তাদের উইকেট। দিনের শুরুতে ক্যারিবীয় বাহিনীর দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ হয়ে যায় মাত্র ১১৭ রানে। তারা প্রথম ইনিংসে ৪০৯ রান করার সুবাদে এবং বাংলাদেশ ২৯৬ রানে অলআউট করার কারনে পেয়েছিল ১১৩ রানের লিড। এদিন বল হাতে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তাইজুল ইসলাম (৪ উইকেট) ও নঈম হাসান (৩ উইকেট)।

জয়ের জন্য ২৩১ রানের টার্গেটে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা বড় বেশি তাড়াহুড়ো করে ফেলেন। ৫৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। ব্যাট হাতে সৌম্য (১৩) ফের ব্যর্থ। কেরিয়ারের ২৮তম টেস্ট অর্ধশতরান করে সাজঘরে ফিরে যান তামিম। পুরো সফরে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত (১১) ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন।

দলীয় রান ১০১ পৌঁছনোর পরেই ব্যক্তিগত ১৪ রানে ওয়ারিক্যানের শিকার হন মুশফিক। মিঠুন মাত্র ১০ রান করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ১১৫ রানে ৫ উইকেট পতনের পর লিটন দাস এবং অধিনায়ক মুমিনুল হক দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। দলীয় ১৪৭ রানে ওয়ারিক্যানের বলে কর্নওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৬ রানে ফিরে যান মুমিনুল। তারপরেই কার্যত বাংলাদেশের এই ম্যাচ জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়।

জয়ের জন্য ২৩১ রানের টার্গেটে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা বড় বেশি তাড়াহুড়ো করে ফেলেন। ৫৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। ব্যাট হাতে সৌম্য (১৩) ফের ব্যর্থ। কেরিয়ারের ২৮তম টেস্ট অর্ধশতরান করে সাজঘরে ফিরে যান তামিম। পুরো সফরে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত (১১) ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন।

দলীয় রান ১০১ পৌঁছনোর পরেই ব্যক্তিগত ১৪ রানে ওয়ারিক্যানের শিকার হন মুশফিক। মিঠুন মাত্র ১০ রান করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ১১৫ রানে ৫ উইকেট পতনের পর লিটন দাস এবং অধিনায়ক মুমিনুল হক দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। দলীয় ১৪৭ রানে ওয়ারিক্যানের বলে কর্নওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৬ রানে ফিরে যান মুমিনুল। তারপরেই কার্যত বাংলাদেশের এই ম্যাচ জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়।|#+|

লিটন দাস ৩৫ বলে ২২ রান করে শিকার হন কর্নওয়ালের। ১৫৩ রানে ৭ম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লেগ বিফোর উইকেট হয়ে মাত্র ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তাইজুল ইসলাম। দলীয় ১৮৮ রানে নঈম হাসান ১০ রান করে আউট হয়ে যান। এই সময়ে একাই লড়ছিলেন মিরাজ। তবে তাঁর সঙ্গী ছিল না কেউ। ওয়ারিক্যানের বলে মিরাজ কর্নওয়ালের তালুবন্দি হলেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের লড়াই। তাদের ইনিংস থামে ২১৩ রানে। ১৭ রানের দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে ২-০ ফলে টেস্ট সিরিজ পকেটস্থ অরে টাইগারদের লজ্জায় নিমজ্জিত করল উইন্ডিজের খর্বশক্তির দল।

বন্ধ করুন