একসময় বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য নাম কামিয়েছিলেন। কিন্তু লোভে পড়ে ফিক্সিং করতে গিয়ে জেল হল পাক ক্রিকেটার নাসির জামশেদের। আরও দুই ব্যক্তিকেও জেলের ঘানি টানতে হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্ট। বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগ ও পাকিস্তান সুপার লিগে গড়াপেটা করার অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন তারা।

এই মামলার তদন্ত করছিল ব্রিটেনের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ)। নাসির ছাড়া জেল হয়েছে ইউসুফ আনওয়ার ও মহম্মদ ইজাজের। জামশেদেকে সতেরো মাস জেলে থাকতে হবে। ইউসুফকে ৩ বছর ৪ মাস ও ইজাজকে আড়াই বছর বন্দি থাকতে হবে।

সাদা পোশাকের তদন্তকারীরা এই তিনজনকে চিহ্নিত করেছিলেন বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগ ফিক্স করার পরিকল্পনা করার সময়। আনওয়ার ও ইজাজ মূলত বুকি ছিলেন যারা কোনও খেলোয়াড়কে প্রলোভন দিয়ে ম্যাচ গড়াপেটা করাতেন। মোট ৩০ হাজার পাউন্ড রোজগার হত প্রতিবার, যার ৫০ শতাংশ পেতেন গড়াপেটা করা ক্রিকেটার।

শুধু বাংলাদেশ নয়, দুবাইতে পিএসএলেও এরা নিজেদের জাল ছড়িয়েছিলেন। খালিদ লতিফ ও শার্জিল খান গড়াপেটা করতে রাজি হয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে গড়াপেটা হচ্ছেে কিনা, বিভিন্ন রংয়ের ক্রিকেট ব্যাটের গ্রিপের মাধ্যমে সেই সঙ্কেত দিয়ে দিতেন ক্রিকেটাররা। এরকম ২৮টি ক্রিকেট ব্যটের গ্রিপ কিনতে গিয়ে প্রথমবার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েন আনওয়ার। এরপরেই তদন্তকারীদের নজরে এসে যান তাঁরা।

জামশেদকে বার্মিংহামে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জামশেদ, লতিফ, খান ও মহম্মদ ইরফানকে সাসপেন্ড করে পিসিবি। ক্রিকেটের ওপর জনগণের আস্থা এই সব ব্যক্তিদের জন্য কমে গিয়েছে বলে তদন্তকারীদের দাবি। নিজেদের অর্থনৈতিক লাভের জন্য ক্রিকেটকে বদনাম করেছিলেন এই চার।এর আগে স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য ইংল্যান্ডে জেল খেটেছেন মহম্মদ আমির। এবার জামশেদের পালা।








J

বন্ধ করুন