বাংলা নিউজ > ময়দান > একটা শটই বদলে দিল ম্যাচের রং, রোলাঁ গারোয় লম্বা লড়াইয়ে শেষ হাসি ক্রিচিকোভার
দুরন্ত লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নিলেন ক্রিচিকোভা। ছবি: রয়টার্স
দুরন্ত লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নিলেন ক্রিচিকোভা। ছবি: রয়টার্স

একটা শটই বদলে দিল ম্যাচের রং, রোলাঁ গারোয় লম্বা লড়াইয়ে শেষ হাসি ক্রিচিকোভার

  • ৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ধরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে বারবোরা ক্রিচিকোভা এবং মারিয়া সাকারির মধ্যে। ফ্রেঞ্চ ওপেনের ইতিহাসে এটাই মহিলাদের দীর্ঘতম সেমিফাইনাল। সেই লড়াইয়ে সপ্তদশ বাছাই সাকারির থেকে কার্যত ম্যাচ ছিনিয়ে নেন ক্রিচিকোভা। খেলার ফল ৭-৫, ৪-৬, ৯-৭।

একেই বলে ‘রাখে হরি মারে কে’! ম্য়াচ প্রায় হাতের বাইরেই বেরিয়ে গিয়েছিল বারবোরা ক্রিচিকোভার। কিন্তু গ্রিসের মারিয়া সাকারির একটি শটেই বদলে গেল পুরো ম্যাচের ভাগ্য! 

সে সময়ে সাকারির পক্ষে ছিল ম্যাচ পয়েন্ট। বারবোরা ক্রিচিকোভার সার্ভিস ব্রেক করে ফাইনালের দিকে এক পা বাড়িয়েই রেখেছিলেন সাকারি। কিন্তু ম্যাচ পয়েন্টের শটটাই বাইরে মারেন তিনি। আর তার পরেই পুরো ম্যাচের রং-ই বদলে যায়।

সেই শটটি সাকারি বাইরে মারলেও, চেয়ার আম্পায়ার অবশ্য গ্রিসের টেনিস সুন্দরীর পক্ষেই রায় দেন। তিনি জানান, শটটি ভিতরে ছিল। পরে 'হক আই'-এর মাধ্যমে দেখা যায়, শটটি বাইরে মেরেছিলেন সাকারি। সেই যে প্রাণ ফিরে পেলেন ক্রিচিকোভা, তার পরেই তিনি ঘুরে দাঁড়ান। অনেক নাটকের পরে শেষ হাসি হাসেন চেক প্রজাতন্ত্রের ক্রিচিকোভাই।

ডাবলস এবং মিক্সড ডাবলসে গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের স্বাদ পেয়েছেন আগে। কিন্তু সিঙ্গলে এখনও গ্র্যান্ডস্লাম অধরা। আর সেই অধরা স্বপ্ন পূরণ করার জন্য আর একটা ধাপ পার করতে হবে ক্রিচিকোভাকে। ভারতীয় সময়ে বৃহস্পতিবার বেশি রাতে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর গ্রিসের মারিয়া সাকারিকে পরাস্ত করেন ক্রিচিকোভা।

৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ধরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে। ফ্রেঞ্চ ওপেনের ইতিহাসে এটাই মহিলাদের দীর্ঘতম সেমিফাইনাল। সেই লড়াইয়ে সপ্তদশ বাছাই সাকারির থেকে কার্যত ম্যাচ ছিনিয়ে নেন ক্রিচিকোভা। খেলার ফল ৭-৫, ৪-৬, ৯-৭।

প্রথম সেটটি ৭-৫ জিতলেও দ্বিতীয় সেটে হোঁচট খান ক্রিচিকোভা। তৃতীয় সেটেও ৩-৫ পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। সে সময় নিজের সার্ভে ৩০-৪০ ব্যবধানে পিছিয়ে ম্যাচ হারার মুখে দাঁড়িয়েছিলেন। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান চেক প্রজাতন্ত্রের টেনিস সুন্দরী। সাকারি ম্যাচ পয়েন্টের শট বাইরে মারার পর, মানসিক চাপ সামলে, ডাবলস এবং মিক্সড ডাবলসে খেলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দুরন্ত লড়াই করেন ক্রিচিকোভা। শেষ পর্যন্ত ৯-৭ সেটটি জিতে ফাইনালে ওঠেন চেক প্রজাতন্ত্রের নতুন তারকা।

পঞ্চম গ্র্যান্ডস্লামের সিঙ্গলসে খেলতে নেমেছিলেন ক্রিচিকোভা। তবে ডাবলসে ইতিমধ্যে ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও উইম্বলডনের ডাবলসেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। মিক্সড ডাবসলে আবার ২০১৯ থেকে টানা তিন বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন  চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজির রয়েছে তাঁর। তবে সিঙ্গলসে গত বছর রোলাঁ গারোর চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছিলেন ক্রিচিকোভা। এত দিন এটাই ছিল সিঙ্গলসে তাঁর সেরা পারফরম্যান্স। এ বার অবশ্য সেই সমীকরণটা বদলে গেল।

এ বার মহিলা সিঙ্গলসে নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে রোলাঁ গারো। অন্য় সেমিফাইনালে জিতেছেন রাশিয়ার আনাসতাসিয়া পাভলুচেঙ্কোভা। ক্রিচিকোভার মতোই পাভলুচেঙ্কোভাও প্রথম কোনও গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে উঠেছেন।

বন্ধ করুন