বাংলা নিউজ > ময়দান > করোনার ফলে শ্রীলঙ্কা সিরিজের সম্প্রচার নিয়ে চাপে বিসিবি
শ্রীলঙ্কা সিরিজের সম্প্রচার নিয়ে চাপে বিসিবি
শ্রীলঙ্কা সিরিজের সম্প্রচার নিয়ে চাপে বিসিবি

করোনার ফলে শ্রীলঙ্কা সিরিজের সম্প্রচার নিয়ে চাপে বিসিবি

  • শ্রীলঙ্কা সিরিজের সম্প্রচার নিয়ে বিপাকে পড়েছে বিসিবি। বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্প্রচারের কাজের সাথে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের বেশিরভাগই ভারতীয়। ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। করোনা নতুন স্ট্রেন ছড়ানোর ক্ষেত্রেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ । ফলে প্রতিবেশী দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের পরে ১৪ দিনের নিভৃতবাস বাধ্যতামূলক।

শুভব্রত মুখার্জি

করোনার প্রভাব যে ক্রিকেট মাঠের ২২ গজেই শুধু পড়েছে তা নয়। মাঠের বাইরে ও এর প্রভাব সমান ভাবে পড়েছে। আগামী ২৩ মে বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তবে সিরিজের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সমস্যায় পড়েছে ব্রডকাস্টারদের নিয়ে।‌ বাংলাদেশ সরকারের নিভৃতবাস নীতির কারণে ব্রডকাস্টারদের বাংলাদেশে আসার বিষয়ে দেখা দিয়েছে বিপত্তি।

শ্রীলঙ্কা সিরিজের সম্প্রচার নিয়ে বিপাকে পড়েছে বিসিবি। বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্প্রচারের কাজের সাথে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের বেশিরভাগই ভারতীয়। ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। করোনা নতুন স্ট্রেন ছড়ানোর ক্ষেত্রেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ । ফলে প্রতিবেশী দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের পরে ১৪ দিনের নিভৃতবাস বাধ্যতামূলক।

এই কারণেই দুশ্চিন্তা বেড়েছে বিসিবির। প্রোডাকশন টিমের ব্রডকাস্টার কর্মীরা বাংলাদেশে এসে এই নিয়ম মেনে নিভৃতবাস করতে হলে শেষ হয়ে যাবে শ্রীলঙ্কা সিরিজ। ফলে বিসিবি বাধ্য হয়ে খুঁজছে বিকল্প পথ। ভারত ফেরৎদের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করায় কোভিড প্রোটোকল শিথিলের কোনও সুযোগ নেই। বিসিবিকে তাই বাধ্য হয়ে মেনে নিতে হচ্ছে বিষয়টি।

ফলে করোনার ক্ষেত্রে কম ঝুঁকিপূর্ণ কোন দেশ থেকে প্রোডাকশন টিম আনার কথা ভাবছে বিসিবি। তৈরি করা হচ্ছে দেশীয় প্রোডাকশন টিমও। প্রসঙ্গত ব্রডকাস্টিং অভিজ্ঞতায় বেশ পিছিয়েই আছেন বাংলাদেশের কর্মীরা।

এখন পর্যন্ত যা খবর তাতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজে কোনও ভারতীয় ব্রডকাস্টার এবং ক্রু থাকছে না। বিকল্প ক্রুর খোঁজ চলছে। যাদের আনলে কোয়ারেন্টিন ঝামেলা থাকবে না, তাদের দিয়েই আপাতত আসন্ন সিরিজে কাজ চালানোর পরিকল্পনা করছে বোর্ড।

বন্ধ করুন