বাংলা নিউজ > ময়দান > ন'টি নয়, করোনার জেরে ৫ শহরে কি হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ? ইডেন কি থাকবে?
বিসিসিআই। ছবি- মিন্ট প্রিন্ট। (MINT_PRINT)
বিসিসিআই। ছবি- মিন্ট প্রিন্ট। (MINT_PRINT)

ন'টি নয়, করোনার জেরে ৫ শহরে কি হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ? ইডেন কি থাকবে?

  • ভারতের পরিবর্ত হিসাবে শেষ কয়েকদিনে বিশ্বকাপ আয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির নাম উঠে আসলেও, আইসিসির নিয়মে তা পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলেই জানান এক বিসিসিআই আধিকারিক।

দেশে ব্যাপক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে রমরমিয়ে চলছে আইপিএল। তা সত্ত্বেও বর্তমান পরিস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে আয়োজক কর্তাদের। তবে এখনই বিকল্প কোনও সিদ্বান্তের পথে হাঁটতে নারাজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। পরিবর্তে ইডেন গার্ডেন্স-সহ যে ন'টি মাঠ বেছে নেওয়া হয়েছিল, তা কমিয়ে পাঁচটা করার বিকল্প হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে কোন কোন মাঠ থাকবে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি বোর্ড কর্তা।

ভারতের পরিবর্ত হিসাবে শেষ কয়েকদিনে বিশ্বকাপ আয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির নাম উঠে আসলেও, আইসিসির নিয়মে তা পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলেই জানান এক বিসিসিআই আধিকারিক। তবে বর্তমান সময়ে একাধিক জায়গায় ১৬টি দলের জন্য জৈব বলয় তৈরি করতে যে কালঘাম ছুটবে বোর্ডের তা অকপটই স্বীকার করে নেন ২০১১ বিশ্বকাপ আয়োজনের সাথে যুক্ত অপর এক প্রাক্তন বোর্ড আধিকারিক। পিটিআইকে তিনি জানান, ‘আইপিএল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিসিসিআই প্রমাণ করে দিয়েছে যে একই সময়ে দুই ভিন্ন জায়গায় খুব সহজেই ও সুষ্ঠুভাবে জৈব বলয় তৈরি করে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নয়টি আলাদা আলাদা জায়গায় আয়োজনের কথা হয়েছে। এতগুলো ভিন্ন জায়গায় ১৬টি দলের জন্য সুরক্ষিত জৈব বলয় তৈরি করা মুখের কথা নয়।’ 

বিশ্বকাপ আয়োজনে দেশের বড় বড় শহরগুলিকে উপেক্ষা করা যে সহজ নয়, তা অকপটেই স্বীকার করে নেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন দলের টুর্নামেন্ট শেষে তাঁদের দেশে ফেরার সুবিধা ও অন্যান্য বিষয়গুলিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন ওই আধিকারিক। করোনা আবহে বিশ্বকাপ আয়োজন যে ভারতের কাছে এক মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

দেশে ব্যাপক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে রমরমিয়ে চলছে আইপিএল। তা সত্ত্বেও বর্তমান পরিস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে আয়োজক কর্তাদের। তবে এখনই বিক্লপ কোন সিদ্বান্তের পথে হাঁটতে নারাজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।

ভারতের পরিবর্ত হিসাবে শেষ কয়েকদিনে বিশ্বকাপ আয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির নাম উঠে আসলেও, আইসিসির নিয়ম তা পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলেই জানান এক বিসিসিআই আধিকারিক। তবে বর্তমান সময়ে একাধিক জায়গায় ১৬টি দলের জন্য জৈব বলয় তৈরি করতে যে কালঘাম ছুটবে বোর্ডের তা অকপটই স্বীকার করে নেন ২০১১ বিশ্বকাপ আয়োজনের সাথে যুক্ত এক প্রাক্তন বোর্ড আধিকারিক। পিটিআইকে তিনি জানান, আইপিএল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিসিসিআই প্রমাণ করে দিয়েছে যে একই সময়ে দুই ভিন্ন জায়গায় খুব সহজেই ও সুষ্ঠভাবে জৈব বলয় তৈরি করে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নয়টি আলাদা আলাদা জায়গায় আয়োজনের কথা হয়েছে। এতগুলো ভিন্ন জায়গায় ১৬টি দলের জন্য সুরক্ষিত জৈব বলয় তৈরি করা মুখের কথা নয়। 

বিশ্বকাপ আয়োজনে দেশের বড় বড় শহরগুলিকে উপেক্ষা করা যে সহজ নয়, তা অকপটেই স্বীকার করে নেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন দলের টুর্নামেন্ট শেষে তাঁদের দেশে ফেরার সুবিধা ও অন্যান্য বিষয়গুলিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন ওই আধিকারিক। করোনা আবহে বিশ্বকাপ আয়োজন যে ভারতের কাছে এক মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।|#+|

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন