গুয়াংঝু এভারগ্র্যান্ডের প্রস্তাবিত ফুটবল স্টেডিয়াম। ছবি- টুইটার।
গুয়াংঝু এভারগ্র্যান্ডের প্রস্তাবিত ফুটবল স্টেডিয়াম। ছবি- টুইটার।

ন্যু ক্যাম্পকেও টেক্কা দেবে গুয়াংঝু এভারগ্র্যান্ডের নতুন স্টেডিয়াম, করোনা মহামারির মাঝেই কাজ শুরু

  • চিনের নতুন এই স্টেডিয়াম দেখতে হবে পদ্মফুলের আদলে। খরচ হবে আনুমানিক ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল হিসেবে চিহ্নিত চিন মহামারি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো শুরু করেছে সম্প্রতি। নতুন করে যাত্রা শুরুর অঙ্গীকার হিসেবে বৃহস্পতিবারই তারা ভবিষ্যতের দিকে বড়সড় পা বাড়াল। ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় সারা বিশ্বে যেখানে খেলাধুলোর আসর সম্পূর্ণ বন্ধ, সেই ফাঁকেই চাইনিজ চ্যাম্পিয়ন গুয়াংঝু এভারগ্র্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু করল।

গুয়াংঝু এভারগ্র্যান্ডের প্রস্তাবিত স্টেডিয়াম অচিরেই টেক্কা দিতে চলেছে বার্সেলোনা এফসির বিশ্ববিখ্যাত হোম গ্রাউন্ড ন্যু ক্যাম্পকেও। যদিও দর্শকাসনের নিরিখে মেসিদের ঘরের মাঠ পুনরায় এক নম্বরের মুকুট ফিরে পাবে সংস্কার হওয়ার পর।

চিনা সংবাদ সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এভারগ্র্যান্ডের প্রস্তাবিত এই স্টেডিয়ামে এক সঙ্গে ১ লক্ষ মানুষ বসে খেলা দেখতে পারবেন। ন্যু ক্যাম্পের বর্তমান দর্শকাসন প্রায় এক লক্ষ। তবে সংস্কারের পর তা ১ লক্ষ ৫ হাজারে পরিণত হতে চলেছে।

চিনের নতুন এই স্টেডিয়াম দেখতে হবে পদ্মফুলের আদলে। খরচ হবে আনুমানিক ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৩,০৫৩ কোটি টাকা খরচ হবে এই স্টেডিয়াম তৈরিতে।

আড়াই বছরেরও বেশি সময় লাগবে স্টেডিয়ামের কাজ সম্পূর্ণ হতে। ২০২২-এর শেষদিকে আত্মপ্রকাশ করবে গুযাংঝুর এই ফুটবল এরিনা। গুয়াংঝু ছাড়াও এই মুহূর্তে সাংহাইয়ে একটি নতুন ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে, যার দর্শকাসন হবে ৩৩ হাজার।

বন্ধ করুন