বাংলা নিউজ > ময়দান > বিহার ক্রিকেটে হাস্যকর ঘটনা, মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফির জন্য ঘোষিত দু'টি দল
প্রতীকী ছবি- গেটি ইমেজেস।
প্রতীকী ছবি- গেটি ইমেজেস।

বিহার ক্রিকেটে হাস্যকর ঘটনা, মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফির জন্য ঘোষিত দু'টি দল

  • বিসিসিআই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, কোন দলটি বৈধ।

শুভব্রত মুখার্জি

নতুন বছরের ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফি। প্রসঙ্গত এই ট্রফি আয়োজনের মধ্যে দিয়েই ঘরোয়া ক্রিকেটকে ফেরাচ্ছে বিসিসিআই। প্রায় সবকটি রাজ্য দল অনেকদিন আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তাদের প্রাথমিক স্কোয়াড। তারপর ট্রায়াল, অনুশীলন ম্যাচের মাধ্যমে একের পর এক রাজ্য সংস্থা বেছে নিয়েছে তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াডকে।

তবে বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের আগেই ঘটে গেল এক নজিরবিহীন ঘটনা। পাবলিক প্ল্যাটফর্মে এমন কাদা ছোড়াছুড়ি ভারতীয় ক্রিকেটে খুব কম ঘটেছে। বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অন্দরে 'তু-তু ম্যায়-ম্যায়' চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এবার সৈয়দ মুস্তাক আলির দল বাছাইকে ঘিরে সেই বিবাদ চলে এল একেবারে জনসমক্ষে।

বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ প্রতিযোগিতার জন্য দুটি দল ঘোষণা করে ফেলল বিহার। সংস্থার সভাপতি রাকেশ তিওয়ারি ও সচিব সঞ্জয় কুমার দুজন আলাদা আলাদা করে ঘোষণা করেন দল। প্রসঙ্গত তাদের মধ্যে অনেকদিন ধরেই বিবাদ চলছে।

বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তারা সবদিক খতিয়ে দেখে আগামী দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে কোন দলটিকে তারা মুস্তাক আলি খেলার অনুমতি দেবে। উল্লেখ্য, দুজনেই ২০ জনের দল ঘোষণা করেছেন। এমন একজন ক্রিকেটার নেই, যিনি দুটি দলেই উপস্থিত। রাকেশ তিওয়ারির ঘোষিত দলের অধিনায়ক আশুতোষ আমন। সঞ্জয় কুমারের ঘোষিত দলের অধিনায়ক কেশব কুমার।

সভাপতির মত, 'ক্রিকেটারদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে বিসিসিআইয়ের ওডিএমএস সফটওয়্যার আছে সেখানে আমরা ক্রিকেটারদের নাম নথিভুক্ত করে পাঠিয়ে দিয়েছি। যার ভিত্তিতে চেন্নাইয়ের বায়ো বাবল হোটেলে ৩০টা ঘর বুক করা হয়েছে। সচিবের দলটি বেআইনি এবং বিভ্রান্তিকর। অ্যাপেক্স কাউন্সিলের ৮ জন সদস্য চিঠিতে সই করে সঞ্জয় কুমারকে বরখাস্ত করেছে। ওঁর দল বাছার কোনও অধিকারই নেই।’

পাল্টা দিয়েছেন সঞ্জয় কুমারও। তিনি বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও সচিব জয় শাহকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন বিহার ক্রিকেটের এই 'অপকর্মের' জন্য দায়ী বিদায়ী জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট অপারেশনস) সাবা করিম। কারণ, সাবা করিম ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওডিএমএসের পাসওয়ার্ড বদলে তা কাছের লোকেদের দিয়েছেন।

বন্ধ করুন