বাংলা নিউজ > ময়দান > সাথিয়া তুনে কেয়া কিয়া- ভাইজানের সঙ্গে লিপ মেলালেন, নতুন ভূমিকায় নিখাত জারিন?- ভিডিয়ো

সাথিয়া তুনে কেয়া কিয়া- ভাইজানের সঙ্গে লিপ মেলালেন, নতুন ভূমিকায় নিখাত জারিন?- ভিডিয়ো

সলমন খানের সঙ্গে নিখাত জারিনের রোম্যান্স।

সলমন খানের সঙ্গে দেখা করার বাসনা শেষ পর্যন্ত পূরণ হল নিখাত জারিনের। ভাইজানের হাতে হাত ধরে গান গাওয়ার স্বপ্নও পূরণ করে ফেললেন ভারতের বক্সিং সুন্দরী। আর সেই স্বপ্নপূরণের ভিডিয়ো পোস্ট করে নিখাত লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত অপেক্ষার অবসান হল’। সঙ্গে একটি হার্ট সাইন দিয়েছেন।

বহু দিনের স্বপ্নপূরণ হওয়ার উচ্ছ্বাস। আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠলেন ভারতের তারকা বক্সার নিখাত জারিন। জানেন কী স্বপ্ন পূরণ হল নিখাতের? সলমন খানের সঙ্গে দেখা করার বাসনা যেমন পূরণ হল, তেমনই ভাইজানের হাতে হাত ধরে গান গাওয়ার স্বপ্নও পূরণ করে ফেললেন ভারতের বক্সিং সুন্দরী। আর সেই স্বপ্নপূরণের ভিডিয়ো পোস্ট করে নিখাত লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত অপেক্ষার অবসান হল’। সঙ্গে একটি হার্ট সাইন দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে কি আদৌও থাকবে বক্সিং! বিশ্ব বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের কাজে অখুশি IOC

সেই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, নিখাত জারিন সলমন খানের হাত ধরে ‘সাথিয়া তুনে কেয়া কিয়া…’ গানটির সঙ্গে লিপ দিচ্ছেন। ঠিক ভাইজানের নায়িকার মতোই। লজ্জায় রাঙা হয়ে সল্লুর সঙ্গে রোম্যান্স করেছেন। আর এটাই নিখাত জারিনের জীবনে বড় প্রাপ্তি।

নিখাত জারিন নামটার সঙ্গে ভারতীয়রা প্রথম পরিচিত হন ২০১৯ সালে। সে বার ৫২ কেজি বিভাগে বিশ্ব বক্সিংয়ে কোনও যোগ্যতা অর্জন পর্ব ছাড়াই মেরি কমকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি তুলেছিলেন মাত্র ২২ বছরের জারিন। ভারতীয় বক্সিং ফেডারেশনের কাছে দাবি জানান, যোগ্যতা অর্জন পর্বের জন্য। সে বার ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন মেরি কম। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে তখন টোকিয়ো অলিম্পিক্সের জন্যেও মেরি কমকেই বেছে নেওয়া হয়। জারিন মেনে নিতে পারেননি। তিনি ন্যায্য সুযোগের দাবি করেন। উত্তরে মেরির শ্লেষাত্মক প্রশ্ন ছিল, ‘কে নিখাত জারিন?’

আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমসে নিজের প্রথম সোনার পদক জিতলেন বক্সার নিখাত জারিন

মেরি কম সেই উত্তর পান ২০২২ সালে বিশ্ব বক্সিংয়ের মঞ্চে। চ্যাম্পিয়ন হন নিখাত জারিন। ৫২ কেজি বিভাগেই। শেষ ১৪ বছরে মেরি কম এই প্রতিযোগিতায় সোনা জিতেছেন তিন বার। মেরির পরে সোনা জিতলেন জারিনই। তেলেঙ্গনায় জন্ম এই তরুণীর। বাবা মহম্মদ জামিল আহমেদের কাছেই শুরু বক্সিংয়ের পাঠ। প্রায় এক বছর বাবার কাছে বক্সিং শেখেন জারিন। ২০০৯ সালে দ্রোণাচার্য পুরস্কার প্রাপ্ত বেঙ্কটেশ্বর রাওয়ের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন তিনি। এক বছরের মধ্যে তাঁকে ‘গোল্ডেন বেস্ট বক্সার’ মনোনীত করা হয় তামিলনাড়ুর একটি প্রতিযোগিতায়।

২০১১ সালে তুরস্কে যুব বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছিলেন জারিন। ২০১৪ সালে বুলগেরিয়াতে পেয়েছিলেন রুপো। সেই বছরেই সার্বিয়াতে আন্তর্জাতিক নেশনস কাপে সোনা জেতেন তিনি। তাইল্যান্ড ওপেনে ২০১৯ সালে রুপো জেতেন জারিন। তবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়টাই এখনও পর্যন্ত তাঁর সেরা সাফল্য।

বন্ধ করুন