বাংলা নিউজ > ময়দান > ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার পিছনে বিরাটদের কোনও দোষ দেখছেন না ব্রড
স্টুয়ার্ট ব্রড (ছবি:টুইটার)
স্টুয়ার্ট ব্রড (ছবি:টুইটার)

ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার পিছনে বিরাটদের কোনও দোষ দেখছেন না ব্রড

  • হোটেলের ওয়াই-ফাই ধীর গতির ছিল, ওয়েব সিরিজ দেখতে পাননি! ভারত সফর নিয়ে প্রথম মুখ খুললেন স্টুয়ার্ট ব্রড। 

ভারত বনাম ইংল্যান্ডের পাঁচ টেস্টের সিরিজে সম্প্রতি শেষ ম্যাচে খেলতে নামেনি টিম ইন্ডিয়া। এরপরেই বিশেষজ্ঞরা বিরাট কোহলিদের নিয়ে সমালোচনার ঝড়া তোলেন। অনেকেই বলতে থাকেন সামনেই আইপিএল, সেই কারণেই সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলেনি ভারত। তবে সম্পূর্ণ বিষয়টি ছিল কোভিড সংক্রান্ত। দলের সহকারী ফিজিও কোভিড পজিটিভ হওয়ার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এরপরে ইংল্যান্ড ক্রিকেটের প্রাক্তনরাও কড়া সমালোচনা করেছিলন। সেই তালিকায় ছিলেন মাইকেল ভনও। এবার বিরাটদের ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন ইংল্যান্ডের তারকা পেস বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড।

ভারত ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার পরে মাইকেল ভনের মতো ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিন্দা করছেন। তারা বিরাটদের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটের চেয়ে আইপিএলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ করছেন। তবে উল্টো পথে হাঁটলেন  স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি ভারতীয় খেলোয়াড়দের বিদেশে কোভিডের ভয়ে মাঠে নামার আশঙ্কার সিদ্ধান্তের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। ব্রড, ভনকে একহাত নিয়ে বিরাটদের পক্ষে দাঁড়ান। ইংলিশ ক্রিকেটার জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির বাইরে থাকলে কেমন লাগতে পারে সেটা আমরা নিজেরাও বুঝেছি। ভারতীয় দলের প্রত্যেকের কোভিড নেগেটিভ আসা সত্ত্বেও ওরা এতটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল যে টেস্ট ম্যাচ খেলতেও চাইল না। জানি মাইকেল ভন অনেক কিছু বলেছে। আইপিএল-কে দোষারোপ করেছে। কিন্তু ঘরে ফেরার আগের মুহূর্তে ভয় গ্রাস করলে ক্রিকেটারদের কিছু করার থাকে না।’        

ইংল্যান্ডের পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড সম্প্রতি এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরের সময় কঠোর বায়ো-বাবলে থাকার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মুখ খুলেছেন। ব্রড ব্যাখ্যা করেছিলেন যে অতিমারীর সময়ে ক্রিকেট খেলার নিজস্ব অভিজ্ঞতার কারণে ওল্ড ট্রাফোর্ডে পঞ্চম টেস্টের আগে তিনি ভারতীয় খেলোয়াড়দের আতঙ্ক বুঝতে পারেন। তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘ভারতীয়রা যা করেছে সেটা ভুল আমি কখনওই বলব না। আমদাবাদে শেষ টেস্ট ম্যাচের সময় আমারও ও রকম হয়েছিল। ১০ সপ্তাহ হোটেলের ঘরে বন্দি ছিলাম। সতীর্থ এবং বিপক্ষের ক্রিকেটার বাদে অন্য কোনও মানুষকে দেখতে পাইনি। পরিবারের থেকে আলাদা ছিলাম। হোটেলের ওয়াই-ফাই ধীরগতির ছিল বলে ওয়েব সিরিজও দেখতে পাইনি। সফর শেষের কয়েক দিন আগে আমাদের মধ্যে ভয়ও ধরে গিয়েছিল যে হয়তো ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারি। আবার হয়তো দু’সপ্তাহ বন্দিজীবন কাটাতে হবে ভেবে মানসিক ভাবে অস্থির হয়ে পড়েছিলাম।’

বন্ধ করুন