ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সঙ্গে টনি লুইস (ডানদিকে)। ছবি- টুইটার।
ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সঙ্গে টনি লুইস (ডানদিকে)। ছবি- টুইটার।

ডাকওয়ার্থ-লুইসের যুগ্ম স্রষ্টা টনি লুইস প্রয়াত

  • ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সঙ্গে জুটি বেঁধে টনি লুইস ১৯৯৭ সালে প্রবর্তন করেন ডি-এল মেথড। আইসিস ১৯৯৯ সালে তা সরকারিভাবে গ্রহণ করে।

প্রয়াত হলেন ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মের অন্যতম স্রষ্টা টনি লুইস। গত ১ এপ্রিল ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ক্রিকেটের ময়দানে জটিল এক সমস্যার সমাধানসূত্র খুঁজে বার করা এই গণিতজ্ঞের।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ন্যূনতম খবরাখবর যাঁরা রাখেন, ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মের মাহাত্ম্য তাঁদের অজানা নয়। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইসিসিকে অব্যর্থ হিসাব বাতলে দেন ডাকওয়ার্থ ও লুইস।

ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সঙ্গে জুটি বেঁধে টনি লুইস ১৯৯৭ সালে প্রবর্তন করেন ডি-এল মেথড। আইসিস ১৯৯৯ সালে তা সরকারিভাবে গ্রহণ করে। ২০১৪ সালে দুই গণিতজ্ঞের সঙ্গে আইসিসির অধিগৃহীত নিয়মে যোগ হয় স্টিভেন স্টার্নের নাম। সেই থেকে এই নিয়ম ডিএলএস নামে পরিচিত। যদিও এখনও পর্যন্ত ডাকওয়ার্থ-লুইস নামেই ডাকা হয়ে ক্রিকেটের জটিল এই গাণিতিক নিয়মকে।

টনি লুইসের মৃত্যতে শোক প্রকাশ করেছে ইসিবি। শোক জ্ঞাপণ করেছে আইসিসিও। ইসিবির তরফে বিজ্ঞপ্তি মারফৎ জানানো হয়, 'অত্যন্ত দুঃখের খবর যে, টনি লুইস ৭৮ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন। ক্রিকেট চিরকাল ঋণী থাকবে ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থ ও টনি লুইসের কাছে। ওঁর পরিবারের প্রতি আমাদের সবার সমবেদনা রইল।'

আইসিসির তরফে জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট) জিওফ অ্যালারডিস জানান, 'আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টনির বড় অবদান রয়েছে। ওঁর এই অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ওঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাই।'

উল্লেখ্য, ক্রিকেট ও গণিতে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১১ সালে টনি লুইসকে অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ারের সদস্যপদ দেওয়া হয়।

বন্ধ করুন