বাংলা নিউজ > ময়দান > দুর্নীতি-পরিবারতন্ত্রের ফলে ভারতের ক্রীড়ার ক্ষতি হয়েছে- বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতি-পরিবারতন্ত্রের ফলে ভারতের ক্রীড়ার ক্ষতি হয়েছে- বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় গেমসের উদ্বোধনে বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী (ছবি:টুইটার)

তাঁর বক্তব্য ভারতে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদের অভাব নেই। অতীতেও তা ছিল না। তবে অতীতে সীমাহীন দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, স্বজন পোষণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্র। যার প্রভাব সরাসরি পড়েছিল ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বক্তব্যে ইতিমধ্যেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

শুভব্রত মুখার্জি: বৃহস্পতিবার জাতীয় গেমসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পর্দা উঠল ৩৬তম জাতীয় গেমসের। আর উদ্বোধন করার পরেই মঞ্চে বিস্ফোরক অভিযোগ শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। তাঁর বক্তব্য ভারতে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদের অভাব নেই। অতীতেও তা ছিল না। তবে অতীতে সীমাহীন দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, স্বজন পোষণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্র। যার প্রভাব সরাসরি পড়েছিল ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বক্তব্যে ইতিমধ্যেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন… অলিম্পিক্সে কি আদৌও থাকবে বক্সিং! বিশ্ব বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের কাজে অখুশি IOC

গুজরাতের আমদাবাদ শহরের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ৩৬তম জাতীয় গেমসের শুভ সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চেই তিনি নিজের বক্তব্যে বলেন, ‘ক্রীড়াবিদরা অতীতে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেনি। কারণ ছিল অতীতের স্বজনপোষণ, সীমাহীন দুর্নীতি এবং পরিবারতন্ত্র। আমরা ক্ষমতায় আসার পরে এই গোটা সিস্টেমকে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন করে তুলেছি।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, ‘২০১৪ সালেই দেশে চালু হয়েছিল ‘ফার্স্ট অ্যান্ড বেস্ট'বেস্ট’ সিরিজ। আমাদের নবীনরা সেটাকেই ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আট বছর আগে ভারতীয় অ্যাথলিটরা ১০০ টিরও কম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিত। এখন তারা ৩০০'রও বেশি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে অংশ নেয়।’ ৩৬তম জাতীয় গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের সমস্ত কৃতি ক্রীড়াবিদদের ধন্যবাদ জানান তিনি। এ দিন আমদাবাদ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন অলিম্পিয়ান পিভি সিন্ধু, নীরজ চোপড়া, রবি কুমার দাহিয়া।

আরও পড়ুন… ভারতীয় ফুটবলে শোকের ছায়া! চলে গেলেন কিংবদন্তি রেফারি সুমন্ত ঘোষ

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গভর্ণর আচার্য দেভরাট, মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। গুজরাতের ইতিহাসে প্রথম বার তারা জাতীয় গেমসের আয়োজন করছে। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই গেমসের আসর চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। গুজরাতের ছটি শহরে খেলা হবে এই গেমস। আমদাবাদ, গান্ধীনগর, ভদোদরা, সুরাট, রাজকোট এবং ভাবনগরে হবে এবারের গেমস। প্রায় ১৫০০০ ক্রীড়াবিদ, কোচ, অফিসিয়ালরা গোটা দেশ থেকে যোগ দেবেন এখানে। ৩৬ ক্রীড়া বিভাগে পদকের জন্য লড়াই করবেন এই অ্যাথলিটরা। প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সময় থেকেই ক্রীড়াক্ষেত্রে এক নয়া সফর শুরু করেছে গুজরাত রাজ্য। এখানে তৈরি হয়েছে বিশ্বমানের পরিকাঠামো। আর সেই কারণেই অল্প সময়ে এই রাজ্য জাতীয় গেমসের আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে।’

বন্ধ করুন