বাংলা নিউজ > ময়দান > করোনার থেকেও ভয়ঙ্কর কেজরিওয়াল সরকারের অহংকার, টাকা না নেওয়ায় তোপ গম্ভীরের
কেজরিওয়াল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ গম্ভীরের। ছবি- পিটিআই।
কেজরিওয়াল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ গম্ভীরের। ছবি- পিটিআই।

করোনার থেকেও ভয়ঙ্কর কেজরিওয়াল সরকারের অহংকার, টাকা না নেওয়ায় তোপ গম্ভীরের

  • অংহবোধের জন্যই কেজরিওয়াল সরকার তাঁর দেওয়া ৫০ লক্ষ টাকা নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেনি, দাবি টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকার।

ক্রিকেটার জীবনেও ছিলেন ঠোঁটকাটা প্রকৃতির। খেলা ছেড়ে রাজনীতিতে নতুন ইনিংস শুরু করার পর একই রকম অকুতভয় মেজাজের রয়ে গিয়েছেন গৌতম গম্ভীর। রেখে ঢেকে কথা বলা যে তাঁর স্বভাব বিরুদ্ধ, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ওপেনার।

করোনা মহামারীর সময় আপৎকালীন তহবিলে অর্থ প্রদান নিয়ে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারকে একহাত নিলেন গম্ভীর। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি স্পষ্ট জানালেন, অংহবোধের জন্যই কেজরিওয়াল সরকার তাঁর দেওয়া ৫০ লক্ষ টাকা নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেনি। সঙ্গে গম্ভীর এও জানান যে, দিল্লির মানুষের প্রয়োজনে তিনি আরও ৫০ লক্ষ টাকা দিতে চেয়ে ইতিমধ্যেই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের।

সপ্তাহ দু'য়েক আগে গম্ভীর তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে সরকারের তরফে কেউ তাঁর অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। অগত্যা গম্ভীর চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, মোট ১ কোটি টাকা তিনি দিল্লি সরকারকে দিতে চান হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিরাপত্তা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার জন্য।

গম্ভীর সোশ্যাল মিডিয়ায় কেজরিওয়াল সরকারের দিকে তোপ দেগে তাঁর চিঠির একটি প্রতিলিপি পোস্ট করেন। সঙ্গে লেখেন, 'মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও তাঁর ডেপুটি দু'জনেই জানিয়েছেন তহবিলে অর্থ প্রয়োজন। যদিও অকারণ অহংবোধের জন্য তাঁরা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা ৫০ লক্ষ টাকা আমার তহবিল থেকে নিতে রাজি হয়নি। আমি আরও ৫০ লক্ষ টাকা দিতে চাই যাতে নীরিহদের ভুগতে না হয়। ১ কোটি টাকায় অন্তত মাস্ক, পিপিই কিটসের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব মেটানো সম্ভব হবে। আশা করি ওনারা দিল্লিকে অগ্রাধিকার দেবেন।'

কেজরিয়াল অবশ্য গম্ভীরের চিঠির জবাব দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি রি-টুইটে লেখেন, 'গৌতম জি, আপনার প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ। সমস্যা টাকা নিয়ে নিয়, পর্যাপ্ত পিপিই কিট পাওয়া নিয়ে। আমরা কৃতজ্ঞ থাকব, যদি আপনি অবিলম্বে কোথাও থেকে সেগুলি এনে দিতে পারেন। দিল্লি সরকার সেগুলি কিনে নেবে। ধন্যবাদ।'

বন্ধ করুন