করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এলেন বাইচুং। ছবি- পিটিআই।
করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এলেন বাইচুং। ছবি- পিটিআই।

সিকিমে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য নিজের বাড়ির দরজা খুলে দিলেন বাইচুং

  • বাংলা ও বিহারের বহু শ্রমিক কাজের সূত্রে এই মুহূর্তে সিকিমে রয়েছেন। সারা দেশে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষিত হওয়ার পর তাঁরা বাড়ি ফিরতে মরিয়া। অথচ সিকিম ছেড়ে বেরোনোর উপায় নেই।

সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেখানে হাজার ছাড়ায়েছে, সেখানে সিকিমে এখনও একজনের শরীরেও করোনা সংক্রমণের খবর নেই। তাই Covid-19 এই মুহূর্তে সিকিমের মাথা ব্যাথার করণ নয়। তবে যে সমস্যাটা এখন সব থেকে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে সেখানে, তা হল পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকা-খাওয়া।

বাংলা ও বিহারের বহু শ্রমিক কাজের সূত্রে এই মুহূর্তে সিকিমে রয়েছেন। সারা দেশে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষিত হওয়ার পর তাঁরা বাড়ি ফিরতে মরিয়া। অথচ সিকিম ছেড়ে বেরোনোর উপায় নেই। ওখানকার সরকার সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে সংক্রমণ এড়াতে। অর্থাৎ, বাইরে থেকে এই মুহূর্তে কেউই সিকিমে প্রবেশ করতে পারবেন না। কারও পক্ষে সিকিম ছেড়ে বেরোনোও সম্ভব নয়।

এমন পরিস্থিতিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড় বাড়তে থাকে সিকিম সীমান্তে। কাজ বন্ধ থাকায় জীবন ধারণের রসদেও টান পড়েছে।

ভিনরাজ্যের এই শ্রমিকদের দুরবস্থার খবর পৌঁছতে বিশেষ সময় লাগেনি ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়ার কানে। খবর পাওয়া মাত্র তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তাঁর ফুটবল ক্লাব ইউনাইটেড সিকিমের কর্তাদের।

বাইচুং নিজের বাড়িতে পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকার আহ্বান জানান। গ্যাংটকের তাদংয়ে তাঁর নির্মিয়মান একটি বাড়ি রয়েছে। চার তলা সেই বিল্ডিংয়ে অন্তত ১০০ জন আশ্রয় নিতে পারবেন। বাইচুং সেই বাড়ির দরজাই খুলে দেন পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য।

হিন্দুস্তান টাইমসকে বাইচুং জানিয়েছেন, সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংয়ের বাড়ির কাছেই তাঁর এই বিল্ডিংয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু শ্রমিক রয়েছেন। মূলত যাঁরা বিল্ডিংয়ের নির্মান কাজে নিযুক্ত ছিলেন, তাঁরা ও তাঁদের পরিচিতরা সেখানে এসে রয়েছেন। তিনি ইউনাইটেড সিকিমের কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের এই বাড়িতে থাকা ও ন্যূনতম খাদ্য সামগ্রীর বন্দোবস্ত করার।

বন্ধ করুন