লকডাউনের সময় বাড়িতেই নিজেকে ফিট রখছেন মনিকা। ছবি- রয়টার্স।
লকডাউনের সময় বাড়িতেই নিজেকে ফিট রখছেন মনিকা। ছবি- রয়টার্স।

Covid-19 lockdown: শখের নাচ ফিট রাখছে মনিকাকে

  • লকডাউনে আপাতত বন্ধ অনুশীলন। বালাই নেই জিমে গিয়ে সময় কাটানোরও। তবে নিজেকে ফিট রাখা জরুরি। তাই নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই চলে কসরৎ।

খেলাধুলোর বাইরে নাচের শখ দীর্ঘদিনের। সঙ্গে রয়েছে বই পড়ার নেশাও। তবে ঠাসা ক্রীড়াসূচি ও দু'বেলা কঠোর অনুশীলনের জন্য শখ মেটানোর সময় মেলে কদাচিৎ। করোনা ভাইরাসের জেরে সারা দেশের যখন ২১ দিনের লকডাউন, তখন হাতে পর্যাপ্ত সময় পাওয়া গিয়েছে নাচের স্কিল ঝালিয়ে নেওয়ার। এটা এখন তাঁর ফিটনেস ট্রেনিংয়ের অঙ্গ। এমনটাই জানালেন ভারতের টেবিল টেনিস তারকা মনিকা বাত্রা।

দেশের হয়ে কমনওয়েলথ গেমসে জোড়া সোনা জয়ী মনিকা এই মুহূর্তে পুণেতে রয়েছেন ট্রেনিংয়ের জন্য। লকডাউনে আপাতত বন্ধ অনুশীলন। বালাই নেই জিমে গিয়ে সময় কাটানোরও। তবে নিজেকে ফিট রাখা জরুরি। তাই নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই চলে কসরৎ।

হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে একান্ত আলোচনায় ২৪ বছর বয়সি প্যাডলার জানান লকডাউনে কীভাবে কাটছে তাঁর সময়। মনিকা বলেন, 'যেহেতু এটা সম্পূর্ণ লকডাউন, তাই বাড়িতেই সকাল-সন্ধ্যে ফিটনেস ট্রেনিং করি। কঠিন সময়ে নিজেকে মানসিকভাবে ফিট রাখতে অনলাইনে কিছু অনুপ্রেরণামূলক গল্প পড়ি। সর্বশেষ পরিস্থিতির সম্পর্কে জানতে খবরে চোখ রাখি।'

বিশ্বব়্যাঙ্কিংয়ের ৪৭ নম্বরে থাকা বাত্রা আরও জানান, 'ঘরে ও আবাসনের বারান্দায় স্কিপিং করি। স্ট্রেচিং ও সাধারণ শরীরচর্চাও থাকে। এ সবরের বাইরে আমি নাচের জন্য বাড়তি সময় পেয়েছি। নাচটাও একটা শরীরচর্চা বটে। বই পড়েও সময় কাটে বেশি কিছুটা।'

সব শেষে এক বছরের জন্য অলিম্পিক পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে মনিকা বলেন, 'আমি অত্যন্ত ইতিবাচক মানসিকতার। যা হয়, ভালোর জন্যই হয়। অলিম্পিক পিছিয়ে যাওয়ায় আমরা প্রস্তুতি নেওয়ার বাড়তি সময় পাব। প্রথমে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তার পর অলিম্পিকে গিয়ে ভালো পারফর্ম করতে হবে আমাদের।'

বন্ধ করুন