বাংলা নিউজ > ময়দান > CWG 2022: যুগ্ম ভাবে সেরা লাফ দিয়েও সোনা হাতছাড়া, নিয়মের জালে দ্বিতীয় শ্রীশঙ্কর
মুরালি শ্রীশঙ্কর।

CWG 2022: যুগ্ম ভাবে সেরা লাফ দিয়েও সোনা হাতছাড়া, নিয়মের জালে দ্বিতীয় শ্রীশঙ্কর

  • সোনার পদক হলে নিঃসন্দেহে সোনায় সোহাগা হত। তবে রুপোতেও ইতিহাস গড়েছেন মুরালি। কমনওয়েলথ গেমসে পুরুষদের বিভাগে রুপোজয়ী দেশের প্রথম লং জাম্পার তিনিই। গেমসের সপ্তম দিনের একেবারে শেষ পর্বে পদক এল তাঁর হাত ধরে। এই নিয়ে চলতি কমনওয়েলথ গেমসে ১৯টি পদক জিতল ভারত।

সেরা লাফ দিয়েও সোনা জেতা হল না মুরালি শ্রীশঙ্করের। রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল তাঁকে। আসলে ভাগ্যই সঙ্গ দিল না শ্রীশঙ্করের। তাই ভারতকে পদক এনে দিলেও আফসোসটা তাঁর ষোলো আনা থেকেই গেল।

মুরালির ৮.০৮ মিটার লাফই ছিল সর্বোচ্চ, তাও তিনি সোনার বদলে কেন রুপো পেলেন? কারণ বাহামাসের লাকুয়ান নারিনও একই দূরত্ব অতিক্রম করেছেন। তবে দুই জাম্পারের দূরত্ব সমান হওয়ার ফলে, তাদের দ্বিতীয় সেরা প্রয়াস অনুযায়ীই পদক নির্ধারিত হয়। মুরালির দ্বিতীয় সেরা জাম্প যেখানে ৭.৮৪ মিটার ছিল, সেখানে বাহামাসের লং জাম্পার নিজের দ্বিতীয় সেরা প্রয়াসে ৭.৯৮ মিটার অতিক্রম করেছিলেন। স্বভাবিক ভাবেই প্রায় কান ঘেষে সোনা হাতছাড়া হয়ে যায় মুরালির। লাকুয়ানই স্বর্ণপদক জিতে নেন।

আরও পড়ুন: হকিতে মেয়েদের পদক নিশ্চিতের লড়াই, নজরে কুস্তি, দেখুন পুরো সূচি

সোনার পদক হলে নিঃসন্দেহে সোনায় সোহাগা হত। তবে রুপোতেও ইতিহাস গড়েছেন মুরালি। কমনওয়েলথ গেমসে পুরুষদের বিভাগে রুপোজয়ী দেশের প্রথম লং জাম্পার তিনিই। গেমসের সপ্তম দিনের একেবারে শেষ পর্বে পদক এল তাঁর হাত ধরে। এই নিয়ে চলতি কমনওয়েলথ গেমসে ১৯টি পদক জিতল ভারত।

নীরজ চোপড়া ছিটকে যাওয়াই দুঃখ পেয়েছিলেন অনেকেই। অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে দেশকে আর পদক এনে দেওয়ার কেউ থাকল না। কিন্তু তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডের লজ্জার হার, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিতে খেলবে ভারত

বুধবারই হাই জাম্পে দেশকে প্রথম বার কমনওয়েলথ গেমস থেকে পদক এনে দিয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর। ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই অ্যাথলেটিক্সে আরও একটি পদক এল ভারতের ঘরে। ছেলেদের লং জাম্প ইভেন্টে রুপো পেলেন কেরালার ২৩ বছরের মুরালি শ্রীশঙ্কর। ৮.০৮ মিটার ব্যক্তিগত সেরা লাফ দিয়ে রুপোর পদকে শেষ করলেন মুরলি।

১৯৭৮ সালে শেষ বার সুরেশ বাবু এই ইভেন্টে দেশকে পদক এনে দিয়েছিলেন। ৭.৯৪ মিটার লাফ দিয়ে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিলেন তিনি। তার পর ৪৪ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা। পদকের খরা কাটল মুরালি শ্রীশঙ্করের হাত ধরে। মুরালি আবার সুরেশ বাবুকেও ছাপিয়ে গেলেন। রুপো জিতলেন তিনি।

এই ইভেন্টে মুরালি শ্রীশঙ্কর ছাড়াও ছিলেন ভারতের আর এক প্রতিযোগী আনিস ইয়াহিয়া। আনিস নিজের সেরা লাফে ৭.৯৭ মিটার অতিক্রম করেন। তবে তাঁকে পঞ্চম হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। প্রসঙ্গত, কোয়ালিফায়িং পর্বে মুরালি ৮.০৫ মিটার লাফ দিয়ে এক নম্বরেই শেষ করেছিলেন। তিনিই একমাত্র জাম্পার হিসাবে ৮ মিটারের গণ্ডি পার করে সরাসরি ফাইনালে নামার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। সেখানে আনিশ সর্বোচ্চ ৭.৬৮ মিটার লাফ দিয়ে অষ্টম হয়ে ফাইনালে নামার ছাড়পত্র পেয়েছিলেন।

বন্ধ করুন