বাংলা নিউজ > ময়দান > WTC ফাইনালের নায়ক জেমিসনকে টপকে ICC-র জুন মাসের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতলেন ডেভন কনওয়ে
ডেভন কনওয়ে ও সোফি একলেস্টোন। ছবি- টুইটার।
ডেভন কনওয়ে ও সোফি একলেস্টোন। ছবি- টুইটার।

WTC ফাইনালের নায়ক জেমিসনকে টপকে ICC-র জুন মাসের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতলেন ডেভন কনওয়ে

  • শেফালিকে পিছনে ফেলে জুনের প্লেয়ার অফ দ্য মনথ-এর পুরস্কার জিতলেন সোফি একলেস্টোন।

ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুরন্ত পারফর্ম্যান্স উপহার দিয়েও মাসের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জুটল না কাইল জেমিসনের কপালে। তাঁকে টপকে জুন মাসের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন জেমিসনেরই সতীর্থ ডেভন কনওয়ে।

অন্যদিকে ভারত-ইংল্যান্ড মহিলা সিরিজের পারফর্ম্যান্সের নিরিখে মেয়েদের বিভাগে জুন মাসের সেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ছিলেন শেফালি বর্মা, স্নেহ রানা ও সোফি একলেস্টোন। দুই ভারতীয় তারকাকে পিছনে ফেলে একলেস্টোন জিতে নিলেন খেতাব।

জুনে ভারত কেবলমাত্র আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ খেলে। সঙ্গত কারণেই একটি মাত্র ম্যাচের পারফর্ম্যান্সের নিরিখে জুনের সেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে নাম লেখানো সম্ভব ছিল না কোনও ভারতীয় ক্রিকেটারের পক্ষে। ছেলেদের বিভাগে দুই কিউয়ি তারকার সঙ্গে মনোনীত হয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি'কক। শেষমেশ টেস্ট ক্রিকেটে চমকপ্রদ আবির্ভাবের স্বীকৃতি পেলেন কনওয়ে।

লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেকেই ডাবল সেঞ্চুরি করেন কনওয়ে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট এবং ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও হাফ-সেঞ্চুরি করেন ডেভন। তিনটি টেস্টে ৬৩.১৬ গড়ে ৩৭৯ রান সংগ্রহ করেন তিনি। তাঁর এই পারফর্ম্যান্সের সামনে ফিকে মনে হয় জেমিসন ও ডি'ককের জুলাইয়ের অবদান।

উল্লেখ্য, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন জেমিসন। ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬১ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট দখল করেন তিনি। জুলাইয়ে ২টি টেস্টে মাঠে নেমে ১০টি উইকেট নিয়েছেন জেমিসন।

অন্যদিকে কুইন্টন ডি'কক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ১৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং দ্বিতীয় টেস্টে ৯৬ রানে আউট হন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিনটি টি-২০ ম্যাচে তিনি সংগ্রহ করেন সাকুল্যে ১৩৫ রান।

মেয়েদের বিভাগে শেফালি খেতাব জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিলেন। ব্রিস্টলে টেস্ট অভিষেকে একাধিক বিশ্বরেকর্ড গড়ে শেফালি দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৯৬ ও ৬৩ রান করেন। এছাড়া জুলাইয়ে দু'টি ওয়ান ডে ম্যাচে তিনি ৫৯ রান সংগ্রহ করেন। অন্যদিকে, ব্রিস্টল টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮টি উইকেট নেন সোফি। পরে দু'টি ওয়ান ডে ম্যাচে ৩টি করে মোট ৬টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁর এমন প্রভাবশালী পারফর্ম্যান্স ছাপিয়ে যায় শেফালির কৃতিত্বকে।

ভারতের স্নেহ রানা ব্রিস্টলে টেস্ট অভিষেকে অপরাজিত ৮০ রান করা ছাড়াও ৪ উইকেট দখল করেন। পরে ১টি ওয়ান ডে ম্যাচে ১টি উইকেটও নিয়েছেন তিনি। রানাও শেষমেশ পিছিয়ে পড়েন একলেস্টোনের কাছে।

বন্ধ করুন