বাড়ি > ময়দান > দিল্লির দূতাবাসে আটকে রয়েছেন অ্যাকোস্টা, ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে FIFA-য় যাওয়ার হুমকি ম্যানেজারের
ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে অ্যাকোস্টা। ছবি- টুইটার।
ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে অ্যাকোস্টা। ছবি- টুইটার।

দিল্লির দূতাবাসে আটকে রয়েছেন অ্যাকোস্টা, ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে FIFA-য় যাওয়ার হুমকি ম্যানেজারের

  • শহর ছাড়ার আগে কোস্টারিকান বিশ্বকাপার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন।

ইস্টবেঙ্গল ও কোয়েসের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে গত ১৫ জুন কলকাতা ছেড়ছেন লাল-হলুদের কোস্টারিকান বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টা। যদিও এখনও দেশে ফেরা হয়নি জাতীয় দলের জার্সিতে দু'টি বিশ্বকাপ খেলা কোস্টারিকান তারকার। আপাতত তিনি আটকে রয়েছেন দিল্লিতে কোষ্টারিকার দূতাবাসে। ফুটবলারের ম্যানেজার জানিয়েছেন, সম্ভবত শনিবার দেশে ফেরার বিমান ধরতে পারবেন অ্যাকোস্টা।

শহর ছাড়ার আগে জনি অ্যাকোস্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত নিজের অভিমান প্রকাশ করেছিলেন, শেষ বেলায় যেভাবে তাঁর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করা হয়েছে ক্লাবের তরফে, তা নিয়ে। তবে তাঁর ম্যানেজার হোসে লুইস রডরিগেজের সুর নরম নয় মোটেও। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিলেন ফিফার দ্বারস্থ হওয়ার।

রডরিগেজ বলেন, ‘জনির জন্য পরিস্থিতি খুবই কঠিন ছিল। ও ক্লাবের ব্যবহারে হতাশ হয়ে পড়েছিল। এখন তুলনায় স্বস্তিতে রয়েছে। কারণ, ও এখন দিল্লিতে কোষ্টারিকার দূতাবাসে রয়েছে। দেশে ফেরার বিমানের অপেক্ষা করছে। খুব সম্ভবত শনিবার কোষ্টারিকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারবে।’

রডরিগেজ আরও বলেন, ‘জনি দেশের হয়ে দু’টি বিশ্বকাপ খেলেছে। ও কোস্টারিকার অত্যন্ত বড় মাপের খেলোয়াড়। অন্ততপক্ষে ওর সঙ্গে একটু সম্মানজনক ব্যবহার করতে পারত ক্লাব। করোনা ভাইরাস নিয়ে এমন পরিস্থিতির উপর কারও নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই এমন সময় ফুটবলারদের সঙ্গে যথাযথ ব্যবহার করা উচিত। চুক্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ফুটবলারকে নিয়ে আসা ও দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করার কথা ক্লাবের। দেশে ফেরার খরচ বাবদ টকা দিয়ে দায় সারার কথাও কোথাও চুক্তিতে লেখা নেই।'

শেষে অ্যাকোস্টার ম্যানেজার বলেন, ‘প্রথম লক্ষ্য হল জনিকে দেশে ফেরানো। মাঝপথেই চুক্তি ছিন্ন করা ছাড়াও ওকে শেষ দু'মাসের বেতন দেওয়া হয়নি। খুব সম্ভবত আমরা ফিফার দ্বারস্থ হব। আমাদের আইনজীবী এই দিকটা দেখে নেবে।’

বন্ধ করুন