বাংলা নিউজ > ময়দান > ENG vs SA: মাত্র ১৫০ওভারেই টেস্ট শেষ, প্রোটিয়াদের টেক্কা দিয়ে সিরিজ জয় ইংল্যান্ডের
দক্ষিণ আফ্রিকাকে তৃতীয় টেস্টে হারিয়ে সিরিজ ২-১ জিতে নিল ইংল্যান্ড।

ENG vs SA: মাত্র ১৫০ওভারেই টেস্ট শেষ, প্রোটিয়াদের টেক্কা দিয়ে সিরিজ জয় ইংল্যান্ডের

  • দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে তৃতীয় টেস্টে আসলে বোলাররা একে অপরকে টেক্কা দিতেই ব্যস্ত ছিলেন। ব্যাটাররা সে ভাবে খেলতেই পারলে না। তবে এই লড়াইয়ে শেষমেশ প্রোটিয়াদের টেক্কা দিলেন বেন স্টোকসরা। ৯ উইকেটে তৃতীয় টেস্ট জিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ জিতে নিল ইংল্যান্ড।

২দিনের সামান্য বেশি সময়ে খেলা হয়েছে। মাত্র ১৫০ ওভার খেলেছে দুই টিম। তাতেই বাজিমাত ব্রিটিশদের। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে তৃতীয় টেস্টে আসলে বোলাররা একে অপরকে টেক্কা দিতেই ব্যস্ত ছিলেন। ব্যাটাররা সে ভাবে খেলতেই পারলে না। তবে এই লড়াইয়ে শেষমেশ প্রোটিয়াদের টেক্কা দিলেন বেন স্টোকসরা। ৯ উইকেটে তৃতীয় টেস্ট জিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ জিতে নিল ইংল্যান্ড।

বৃষ্টিতে প্রথম দিনের খেলা ভেস্তে গিয়েছিল। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা আবার স্থগিত রাখা হয়েছিল। তৃতীয় দিনে খেলা শুরু হলে ওভালে দু'দলের বোলাররা নিজেদের মধ্যেই উইকেট তোলার প্রতিযোগিতায় নামেন।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়ারা প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৮ রানে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডও মাত্র ১৫৮ রানে গুটিয়ে যায়। মাত্র ৪০ রানের লিড পায় ইংল্যান্ড।

আরও পড়ুন: অ্যান্ডারসনের সুইং মনে করাল ওয়ার্নের ‘বল অফ দ্য সেঞ্চুরি’র মুহূর্ত-ভাইরাল ভিডিয়ো

ম্যাচের তৃতীয় দিন অর্থাৎ যে দিন থেকে খেলতে নামতে পেরেছে দুই দল, সেই দিন দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ড মিলিয়ে মোট ১৭ উইকেট পড়ে। চতুর্থ দিন ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ৩ উইকেট ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের ১০ উইকেট পড়ে যায়। অর্থাৎ মোট ১৩ উইকেট সে দিন পড়ে। তবে শেষ দিন ইংল্যান্ডের ১ উইকেট মাত্র ফেলতে পেরেছে প্রোটিয়ারা। ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে কোন ক্রিকেটারই অন্তত হাফ সেঞ্চুরিও করতে পারেননি। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন মার্কো জানসেন। তাও মাত্র ৩০ রান। জানসেন ছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছিলেন আর মাত্র ৪ জন। তবে তাদের অবস্থাও তথৈবচ। খায়া জোন্দোর ২৩, কেশব মহারাজের ১৮, কিগান পিটারসেনের ১২ এবং রায়ান রিকেল্টনের ১১- এই হল প্রোটিয়াদের সংগ্রহ। ব্রিটিশদের হয়ে ৫ উইকেট নেন অলি রবিনসন এবং স্টুয়ার্ড ব্রড নেন ৪ উইকেট। ১ উইকেট নিয়েছেন জেমস অ্যান্ডারসন।

আরও পড়ুন: ভারতের ড্রেসিংরুমে বাজানো যাবে না গান, রানির মৃত্যুশোকে জারি হল ফতোয়া, রিপোর্ট

১১৮ রানে দক্ষিণ আফ্রিকা অল আউট হলে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নামে। তাদের অবস্থাও বেহাল হয়। তাও বোলারদের রামরাজত্বে ব্যাট হাতে ব্যতিক্রমী ছিলেন একমাত্র অলি পোপ। ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান একা হাফ-সেঞ্চুরি করেন। তাঁর সংগ্রহ ৭৭ বলে ৬৭। এ ছাড়া জো রুট ২৩ করেন। বেন ফোকস ১৪, অ্যালেক্স লিস ১৩, হ্যারি ব্রুক ১২ করেন। ৪০ রানের লিড পাওয়াটা ইংল্যান্ডের জন্য মোটেও বড় বিষয় ছিল না। বরং প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ব্রিটিশ বোলাররা যে রকম আগুনে পারফরম্যান্স করেন, সেটা বড় বিষয়। ফের স্টুয়ার্ড ব্রডরা ১৬৯ রানে অল আউট করে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

আরও পড়ুন: অ্যান্ডারসনের সুইং মনে করাল ওয়ার্নের ‘বল অফ দ্য সেঞ্চুরি’র মুহূর্ত-ভাইরাল ভিডিয়ো

প্রথম উইকেট ৫৮ রান করেছিল সরেল এরউই এবং ডিন এলগার জুটি। ২৬ করে আউট হন সরেল এবং ৩৬ করে এলগার। এ ছাড়া ২৩ করেছেন কিগান পিটারসেন। এর বাইরে ২০ রানেক গণ্ডি টপকাননি প্রোটিয়াদের কেউ। দক্ষিণ আফ্রিকা ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন স্টুয়ার্ড ব্রড এবং বেন স্টোকস। জেমস অ্যান্ডারসন আর অলি পোপ ২টি করে উইকেট নেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের সামনে ১৩০ রানের লক্ষ্য ছিল। চতুর্থ দিনের শেষেই বিনা উইকেটে ৯৭ রান ছিল ইংল্যান্ডের। পঞ্চম দিন আর মাত্র ৫.৩ ওভার খেলা হয়। ইংল্যান্ড ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। কাগিসো রাবাডার বলে অ্যালেক্স লিস ৩৯ রান করে এলবিডব্লিউ হন। জ্যাক ক্রাউলি অপরাজিত ৬৯ করেন। অলি পোপ ১১ করে অপরাজিত থাকেন।

বন্ধ করুন