বাংলা নিউজ > ময়দান > PAK vs ENG: রিজওয়ান-বাবর ফ্লপ হতেই কঙ্কালসার দশা, ৬৩ রানে পাকিস্তানকে ওড়াল ইংল্যান্ড
পাকিস্তানকে ওড়াল ইংল্যান্ড। ছবি টুইটার

PAK vs ENG: রিজওয়ান-বাবর ফ্লপ হতেই কঙ্কালসার দশা, ৬৩ রানে পাকিস্তানকে ওড়াল ইংল্যান্ড

  • প্রথমে ব্যাট করতে নেমে করাচির ২২ গজে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করেন ইংরেজ ব্যাটাররা। দলীয় ১৮ রানে তারা হারায় প্রথম উইকেট। আউট হন ফিল সল্ট। ৮ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।

শুভব্রত মুখার্জি: দ্বিতীয় টি-২০তে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল। কিন্তু তৃতীয় টি-২০তে বাবর-রিজওয়ান জুটি ব্যর্থ হতেই ম্যাচ জেতা আর হল না পাকিস্তানের। ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে বাবর বাহিনীকে হারিয়ে সিরিজে লিড নিল ইংল্যান্ড দল। করাচিতে জিতে ৭ ম্যাচের সিরিজে আপাতত ২-১ ফলে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড দল। এদিন ব্যাট হাতে দুরন্ত খেলেন হ্যারি ব্রুক এবং বেন ডাকেট। আর বল হাতে কিপ্টে বোলিং করার পাশাপাশি ৩টি উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের জয়ের পথ সুগম করেন মার্ক উড।

এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে করাচির ২২ গজে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করেন ইংরেজ ব্যাটাররা। দলীয় ১৮ রানে তারা হারায় প্রথম উইকেট। আউট হন ফিল সল্ট। ৮ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। দ্রুত উইকেট হারালেও অপর ওপেনার উইল জ্যাকস অবশ্য দমে যাননি। ২২ বলে ৪০ রানের একটি মারকাটারি ইনিংস খেলে তিনি রানের গতিকে কমতে দেননি। ডেভিড মালান এদিন করেন মাত্র ১৪ রান। জ্যাকস ৪০ করে আউট হন উসমান কাদিরের বলে। স্কোরবোর্ডে রান তখন ৮২। উইকেট পড়েছে ৩ টি।

এরপরে ক্রিজে জুটি বাঁধেন বেন ডাকেট এবং হ্যারি ব্রুক। তাদের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে নাভিশ্বাস উঠে যায় পাক বোলিংয়ের। একের পর এক বোলারকে বেদম ঠ্যাঙানি দেন এই দুই ব্যাটার। ৪২ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন বেন ডাকেট। মারেন ৮টি চার এবং ১টি ছয়। আর ব্রুক ৩৫ বলে ৮১ রানের অপরাজিত একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। অবিচ্ছেদ্য জুটিতে তারা করেন ১৩৯ রান। পাক বোলারদের মধ্যে কোন বোলার ওভার প্রতি সাড়ে ৮ রানের নীচে দেননি। উসমান কাদির ৪৮ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই সমস্যায় পড়ে যায় পাকিস্তান। তাদের অন্যতম ধারাবাহিক দুই ওপেনার এই ম্যাচে একেবারেই রান পাননি। মহম্মদ রিজওয়ান ১৪ বলে ৮ রান এবং বাবর আজম ৬ বলে ৮ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। দলীয় ২১ রানে পড়ে যায় দুই উইকেট। ২১ রানেই ব্যক্তিগত তিন রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান হায়দার আলি। দলীয় ২৮ রানে পড়ে ৪র্থ উইকেট। আউট হন ইফতিকার আহমেদ। পাওয়ার প্লেতেই চার উইকেট হারিয়ে তখন রীতিমতো ধুঁকছে পাক দল।

এরপর খুশদিল শাহকে সঙ্গী করে দলকে টানার চেষ্টা করেন শান মাসুদ। খুশদিল ২৯ রানে আউট হন। মহম্মদ নওয়াজ করেন ১৯ রান। ফলে সঙ্গীর অভাবে একা লড়াই চালিয়েও দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি শান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। ৪০ বলে ৩ টি চার এবং ৪টি ছয় হাঁকিয়ে অপরাজিত থাকেন ৬৬ রানে। পাকিস্তান ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান করতে সমর্থ হয়। ইংল্যান্ডের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন মার্ক উড। ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। অন্যদিকে আদিল রশিদ ৩২ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। ফলে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সিরিজে ২-১ ফলে লিড নিল মইন আলির নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দল।

বন্ধ করুন