বাংলা নিউজ > ময়দান > প্রেস মিটের সময় টেবিলের উপর নাচ-গানে মাতলেন ইউরোজয়ী ব্রোঞ্জরা
প্রেস মিটের সময় টেবিলের উপর নাচ-গানে মাতলেন ইউরোজয়ী ব্রোঞ্জরা

প্রেস মিটের সময় টেবিলের উপর নাচ-গানে মাতলেন ইউরোজয়ী ব্রোঞ্জরা

  • কোচ উইগম্যানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তাদের ট্যাকটিক্স নিয়ে। ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল কোন সিদ্ধান্ত তা নিয়ে সবেমাত্র উত্তর দেওয়া শেষ করেন উইগম্যান। তখন হঠাৎ করেই নাচতে, গাইতে গাইতে সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষে চলে আসে গোটা দল।

শুভব্রত মুখার্জি: ছেলেরা যা পারেনি মেয়েরা সেটাই করে দেখিয়েছে। ৮৭ হাজার দর্শককে সাক্ষী রেখে জার্মানিকে হারিয়ে রবিবার রাতেই মহিলা ইউরো জিতেছে ইংল্যান্ড দল। দীর্ঘদিন বাদে 'ইটস কামিং হোম' বাস্তবে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ট্রফি খরা কাটিয়ে মেয়েদের হাত ধরেই ইউরো জিতে নিয়েছে ব্রোঞ্জরা। স্বাভাবিকভাবেই তাদের উচ্ছ্বাস ছিল বাঁধনছাড়া। ম্যাচ শেষে তাদের কোচ উইগম্যান যখন প্রেস কনফারেন্সে ব্যস্ত তখন হঠাৎ করেই কক্ষে চলে আসে গোটা ইংল্যান্ড দল। 'থ্রি লায়নেস' গানের তালে তালে তারা নাচতে, গাইতে থাকে। গোলরক্ষক ম্যারি ইয়ার্পস তো টেবিলের উপর উঠেই নাচতে শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুন: জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ টি ২০-তে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন মোসাদ্দেক হোসেন

কোচ উইগম্যানকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তাদের ট্যাকটিক্স নিয়ে। ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল কোন সিদ্ধান্ত তা নিয়ে সবেমাত্র উত্তর দেওয়া শেষ করেন উইগম্যান। তখন হঠাৎ করেই নাচতে, গাইতে গাইতে সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষে চলে আসে গোটা দল। গোলরক্ষক ম্যারি ইয়ার্পস টেবিলের উপর উঠে নাচতে থাকেন। তার সঙ্গে যোগ দেন ডিফেন্ডার লুসি ব্রোঞ্জ। নিজের ছাত্রীদের কাণ্ডকারখানা দেখে হাসি চাপতে পারেননি হেড কোচ সারিনা উইগম্যান।

দলের ফুটবলারদের নাচ-গান শেষ হওয়ার পরে ডাচ কোচ উইগম্যান জানান 'এই গানটা (থ্রি লায়নেস ইংল্যান্ডের সংস্কৃতির অঙ্গ। আমরা অনেকদিন হল এই গানটা গাইনি। আমি মনে করি আমরা কাপটা জিতেছি। আমি মনে করিনা এটা কাপের 'হোম'। সেটা সুইজারল্যান্ডে উয়েফাতে রয়েছে। তবে আমরা এটা (ট্রফিটা) জিতেছি, আর তাতে আমি খুব খুশি।' উল্লেখ্য 'থ্রি লায়নেস' গানটি লিখেছিলেন কমেডিয়ান ডেভিড ব্যাডডিয়েল এবং ফ্র্যাঙ্ক স্কিনার এবং ব্যান্ড 'দি লাইটনিং সিডস'।

বন্ধ করুন