পিটারসেনের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় কোহলির। ছবি- গেটি ইমেজেস।
পিটারসেনের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় কোহলির। ছবি- গেটি ইমেজেস।

পিটারসেনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেরিয়ারের সবথেকে খারাপ সময়ের হদিশ দিলেন কোহলি

  • স্ত্রী অনুষ্কা তাঁর চুল কেটে দেওয়া নিয়ে বিরাটকে শুরুতেই টিপ্পনি হজম করতে হয় কেপির।

লকডাউনের সময় বন্ধ খেলা। আইপিএলের ভরা মরশুমে কোহলির চার ছক্কা দেখার বদলে টেলিভিশনের পর্দায় কাম ব্যাক করা রামায়ণ-মহাভারতই এখন ভরসা ক্রিকেটপাগল ভারতবাসীর।

এই অবস্থায় দেশের কোটি কোটি ক্রিকেট অনুরাগীদের সাময়িক বিনোদনের উপকরণ তুলে দিলেন বিরাট। প্রাক্তন ইংল্যান্ড তারকা কেভিন পিটারসেনের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি চলে আসেন ইনস্টাগ্রাম লাইভে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই তারকার মাঠ ও মাঠের বাইরের আলোচনা নিঃসন্দেহে আপ্লুত করবে নেটিজেনদের।

কেপি আগেই জানিয়েছিলেন বৃহস্পতিবার ঠিক সন্ধ্যা ৭টায় তিনি ইনস্টাগ্রামে কোহলির সাক্ষাৎকার নেবেন। সেই মতো নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইন হন পিটারসেন। তবে কোহলির তাঁর সঙ্গে জুড়তে বাড়তি একটু সময় লেগে যায়। হাসি ঠাট্টায় শুরু হওয়া আলোচনা পর্ব সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্রমে জমে ওঠে।

স্ত্রী অনুষ্কা তাঁর চুল কেটে দেওয়া নিয়ে বিরাটকে শুরুতেই টিপ্পনি হজম করতে হয় কেপির। পরে সাক্ষাৎকার পর্বে একে একে উঠে আসে লকডাউন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা, ডাক নাম, আরসিবির আইপিএল না জেতা, একটানা ক্রিকেট খেলার ক্লান্তি, খাদ্যাভ্যাস বদলানো, কোরিয়ারের সেরা ব্যাটিং, সবথেকে খারাপ সময় প্রভৃতি প্রসঙ্গ। সবশেষে অনুরাগীদের প্রশ্নের জবাব দেন ভারত অধিনায়ক।

বর্ণোজ্জ্বল কেরিয়ারে কোহলির সাফল্যের খতিয়ান একত্রিত করতে পরিসংখ্যানবিদের প্রয়োজন হবে নিশ্চিত। তবে কেরিয়ারের সবথেকে খারাপ সময় প্রসঙ্গে অনুরাগীদের হদিশ দেন কোহলি। বিরাট জানান, ২০১৪-র ইংল্যন্ড সফর ছিল তাঁর কেরিয়ারের সবথেকে খারাপ সময়।

বিরাটের কথায়, '২০১৪-র ইংল্যান্ড সফরে আমার সবথেকে খারাপ সময় কেটেছে। এমন একটা সময় আসে যখন ব্যাটসম্যান হিসেবে আপনি বুঝতে পারেনি যে, আপনি সফল হবেন না। আপনি নিজেই অনুধাবন করতে পারেন যে, আপনি রান করতে পারবেন না।আমার সঙ্গেও ঠিক সেটাই হয়েছিল। ওটাই ছিল আমার কেরিয়ারের সবথেকে খারাপ অভিজ্ঞতা। সেদিনই আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, আর কখনও নিজের সঙ্গে এমনটা হতে দেব না।'

ব্যর্থ হওয়ার কারণও জানিয়েছেন কোহলি। তিনি বলেন, 'এমনটা হয়েছিল কারণ, আমি তখন নিজের কথা ভাবছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে ভালো কিছু করে দেখানোর জন্য মরিয়া ছিলাম। আমার মনে হয়েছিল, এটা ইংল্যান্ড সফর এবং টেস্ট সিরিজে মাঠে নামছি আমি। যদি আমি এখানে রান করতে পারি, তবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব। এই সব বাজে চিন্তাই আমাকে ব্যর্থতার দিকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।'

কেরিয়ারের স্মরণীয় মুহূর্তের কথা জানাতে গিয়ে কোহলি ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের কথা উল্লেখ করেন। কাকতলীয়ভাবে ৯ বছর আগে ঠিক এই দিনটিতেই ভারত দ্বিতীয়বার ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জেতে। কোহলি সেই দলেরই সদস্য ছিলেন।


বন্ধ করুন