বাংলা নিউজ > ময়দান > দুটো সিরিজ হারার পরেও শাস্ত্রী জানতেন তার দল সঠিক পথেই রয়েছে! দাবি করলেন শোয়েবের কাছে
রবি শাস্ত্রী ও বিরাট কোহলি (ছবি:গেটি ইমেজ)

দুটো সিরিজ হারার পরেও শাস্ত্রী জানতেন তার দল সঠিক পথেই রয়েছে! দাবি করলেন শোয়েবের কাছে

  • ভারতের প্রাক্তন প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী ২০১৮ সালে ইংল্যান্ড সিরিজ হারের পরে ভারতীয় দলকে নিয়ে নিজের বিখ্যাত মন্তব্য করে বলেছিলেন ‘সেরা ভ্রমণকারী দল’। শাস্ত্রী মনে করেন এরপরে তার এই বক্তব্য নিয়ে উপহাস করা হয়েছিল। 

ভারতের প্রাক্তন প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী ২০১৮ সালে ইংল্যান্ড সিরিজ হারের পরে ভারতীয় দলকে নিয়ে নিজের বিখ্যাত মন্তব্য করে বলেছিলেন ‘সেরা ভ্রমণকারী দল’। শাস্ত্রী মনে করেন এরপরে তার এই বক্তব্য নিয়ে উপহাস করা হয়েছিল। তবে তিনি মনে করেন যে ২০১৮/১৯ সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টিম ইন্ডিয়া নিজেদের সম্মান বাঁচিয়েছিল। নিজের YouTube শোতে পাকিস্তানের প্রাক্তন পেস বোলার শোয়েব আখতার ভারতের প্রাক্তন কোচের সঙ্গে একটি আড্ডা দেন। 

সেই কথোপকথনের সময়, শাস্ত্রী জানান টিম ইন্ডিয়া ২০১৮ সালে দুটি ব্যাক টু ব্যাক সিরিজ হেরেছিল। প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২-১ এবং পরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪-১ সিরিজ হার। সেই সময়ই শাস্ত্রী মনে করেছিলেন ভারত সত্যিই একটি শক্তিশালী টেস্ট দল হয়ে উঠবে। তিনি দলের মধ্যে এই সম্ভাবনা উপলব্ধি করেছিলেন। দুটিই ছিল এশিয়ার বাইরে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। তিনি আরও বলেন যে সেখান থেকে তিনি এবং তারপরে অধিনায়ক কোহলি দুজনেই ফিটনেসের উপর অনেক জোর দিয়েছিলেন এবং দলের শক্তিশালী পেস আক্রমণের কারণে ভারতীয় দল এমন কীর্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল। যা অন্য কোনও দল আগে অর্জন করতে পারেনি। 

শোয়েব আখতারের সঙ্গে কথা বলার সময় শাস্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি এটিকে বিশ্বের সেরা ভ্রমণ দলে পরিণত করার প্রচেষ্টা ছিল। আমি ২০১৭ সালে এটি বলেছিলাম। লোকেরা হাসতে শুরু করেছিল। কিন্তু পরোক্ষভাবে এটা ছেলেদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। তাদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল যে তারা এটা করতে পারে। আপনি জানেন, একবার আমাদের পেস-বোলিং আক্রমণ ছিল। কিন্তু আমরা গুলিবিদ্ধ হই। আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছিলাম। আমরা ইংল্যান্ডেও হেরেছিলাম, ৪-১, যদি ভাগ্য সাথে থাকত তাহলে সিরিজ আমাদের পক্ষে ৩-২ হতে পারত। কিন্তু ওই দুই সিরিজ হারার পর জানতাম আমরা সঠিক পথেই রয়েছি। ভেবেছিলাম এবার বড় কিছু হবে। আমরা শক্তিশালী এবং ফিট ছিলাম। আমি এবং বিরাট দুজনেই ফিটনেসের প্রতি অনেক মনোযোগ দিয়েছি এবং এটি বিস্ময়কর কাজ করেছে। তারপরে অস্ট্রেলিয়ায় সবটা ঘোরে। অস্ট্রেলিয়া সম্ভবত খেলার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন জায়গা। কঠিন ক্রিকেট খেলার জন্যই তাদের জন্ম। আমি জানতাম যদি আমরা এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি, তবে এটাই হবে সবকিছু।’

বন্ধ করুন