বাংলা নিউজ > ময়দান > টি-২০ বিশ্বকাপে মারকাটারি ব্যাটিংয়ের রহস্য ফাঁস করলেন সূর্যকুমার যাদব

টি-২০ বিশ্বকাপে মারকাটারি ব্যাটিংয়ের রহস্য ফাঁস করলেন সূর্যকুমার যাদব

রহস্য ফাঁস করলেন সূর্যকুমার যাদব (PTI)

অস্ট্রেলিয়ার ২২ গজে প্রথমবার খেলা সত্ত্বেও একবার ও সমস্যায় পড়তে দেখা যায়নি সূর্যকে। সেই বিষয়ে তাঁর মত এইক্ষেত্রে আমার মন্ত্র হল কঠোর অনুশীলন। এছাড়া মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ের স্টেডিয়ামে খেলে আমি বড় হয়েছি।

শুভব্রত মুখার্জি: চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন সূর্যকুমার যাদব। ভারতীয় দলের মিডল অর্ডারের এই ডানহাতি ব্যাটার যে ধারাবাহিকতার সঙ্গে রান করে চলেছেন শুধু তা নয়। পাশাপাশি তিনি দ্রুতগতিতেও রান করছেন। উইকেটে যে কোনও দিকে অবলীলায় খেলছেন একের পর এক স্ট্রোক। যে কোন লাইন বা লেন্থের বলকে তিনি অনবদ্য লেগ সুইপে পাঠাচ্ছেন বাউন্ডারির বাইরে। তাঁর এই ধাঁচের ব্যাটিং দেখে অনেকেই তাঁকে নয়া 'মি:৩৬০' অ্যাখ্যাও দিয়েছেন। অনেকেরই প্রশ্ন কীকরে এইসব একের পর এক অবিশ্বাস্য শট নিখুঁতভাবে খেলছেন সূর্য? এবার সেই রহস্য ফাঁস করলেন স্বয়ং সূর্যকুমার যাদব!

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সূর্য। বিরাট কোহলির পরেই রয়েছেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২২৫ রান। স্ট্রাইক রেট ৫ ইনিংসে অবিশ্বাস্য ১৯৩.৯৭। বিসিসিআই টিভিতে তাঁর সতীর্থ রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে দেওয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি তাঁর ব্যাটিং রহস্য ফাঁস করেছেন ভক্তদের আদরের 'স্কাই'। সূর্য জানিয়েছেন 'ওইধরনের শট খেলতে গিয়ে আমি ব্যর্থতার থেকে সাফল্যই বেশি পেয়েছি। এই কারণে এইসব শট খেলার ক্ষেত্রে আমার আত্মবিশ্বাসটা অনেকটাই বেশি। আমি ব্যাট করতে নেমেই প্রথম থেকে সেইজন্য 'বিস্ফোরণ' ঘটিয়েছি।'

অস্ট্রেলিয়ার ২২ গজে প্রথমবার খেলা সত্ত্বেও একবার ও সমস্যায় পড়তে দেখা যায়নি সূর্যকে। সেই বিষয়ে তাঁর মত এইক্ষেত্রে আমার মন্ত্র হল কঠোর অনুশীলন। এছাড়া মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ের স্টেডিয়ামে খেলে আমি বড় হয়েছি। ওখানকার পরিবেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশের মিল থাকাতে সমস্যায় পড়তে হয়নি।

সূর্য আরও যোগ করেন 'সকলেই আমাকে একটা প্রশ্ন করেছে। অস্ট্রেলিয়াতে আগে তো আসনি। বাউন্স ভরা ২২ গজ, গতিময় পিচ, বড় বড় মাঠ কিভাবে নিজেকে তৈরি করেছ? আমি তাঁদেরকে এটাই বলেছি আমি যখন দেশে অনুশীলন করি তখন ওয়াংখেড়ের উইকেটে করি। মাঠটা বড় নয় ঠিক। তবে ভালো গতি রয়েছে পিচে। বাউন্সও প্রায় অস্ট্রেলিয়ার মতো। আমার জন্য ওরা ওয়াংখেড়েতে গতিময় পিচ তৈরি করে। ফলে ওখানে অনুশীলন করে এসে এখানে বড় মাঠেও খেলতে অসুবিধা হয়নি। তাই বড় মাঠে খেলতে আমি সবসময় পছন্দ করি। যে উইকেটে পেস এবং বাউন্স রয়েছে সেই উইকেটে খেলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। এখন পর্যন্ত সেই কারণে সমস্যায় পড়িনি। আশা করি আমি একভাবে খেলা চালিয়ে যেতে পারব।'

বন্ধ করুন