বাড়ি > ময়দান > জং না ধরে, লকডাউনে ঋদ্ধিমানকে ধারালো করেছেন বাবা প্রশান্ত সাহা
ঋদ্ধিমান সাহা। ছবি- এপি।
ঋদ্ধিমান সাহা। ছবি- এপি।

জং না ধরে, লকডাউনে ঋদ্ধিমানকে ধারালো করেছেন বাবা প্রশান্ত সাহা

  • আউটডোর ট্রেনিংয়ের সুযোগ না থাকলেও বাড়িতে অলস সময় কাটাননি টিম ইন্ডিয়ার তারকা উইকেটকিপার।

গোটা লকডাউন পর্বে আউটডোর ট্রেনিংয়ের সুযোগ ছিল না। Unlock1-এ এখনও পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে অনুশীলনে ফেরার কোনও নির্দেশ পাননি। তবে তাই বলে ঋদ্ধিমান সাহা নিতান্ত অলস সময় কাটাচ্ছেন না দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে। 

টেকনিক্যালি তাঁকে এই মুহূর্তে ক্রিকেট বিশ্বের সেরা উইকেটকিপার বলা হয়ে থাকে। তকমাটা একদিনে জোটেনি। শীর্ষে পৌঁছনো যেমন চ্যালেঞ্জের, আরও বেশি চ্যালেঞ্জের শীর্ষস্থান ধরে রাখা। বিষয়টা বোঝেন বলেই ঋদ্ধিমান সাহা নিজেকে প্রস্তুত রাখছেন সব রকম পরিস্থিতিতেই।

প্র্যাকটিসের সুযোগ নেই। বিসিসিআই ট্রেনারের নির্দেশ মতো যথাযথ ট্রেনিং করাও সম্ভব নয় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে। তবু পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ফাঁকে চোখ ও হাতের সামঞ্জস্য বজায় রাখার চেষ্টা করেন। নিজের ক্ষিপ্রতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা চালান। এই কাজে তাঁকে যথাযোগ্য সহায়তা করেন বাবা প্রশান্ত সাহা।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় ঋদ্ধি নিজেই জানালেন, সাউথ সিটির অ্যাপার্টমেন্টে তাঁকে যথাসম্ভব ক্যাচিং প্র্যাকটিস দেওয়ার চেষ্টা করেন সিনিয়র সাহা। বাবার জন্যই ডান দিক, বাঁ-দিকে সরে গিয়ে ক্যাচ প্রাকটিস করা সম্ভব হয় তাঁর পক্ষে। এতে পায়ের নড়াচড়া যেমন সাবলিল হয়, ঠিক তেমনই বজায় থাকে রিফ্লেক্সও।

ঋদ্ধি এও জানান, দেওয়ালে নরম বল ছুঁড়ে ফিরতি বলে ক্যাচ প্র্যাকটিস করেন তিনি। অল্প কিছু সরঞ্জামে দিনের যে কোনও সময় সুযোগমতো ফিটনেস ট্রেনিং করেন। দৌড়ানো সম্ভব না হলেও অ্যাপার্টমেন্টের পরিসরে হাঁটার সুযোগ রয়েছে তাঁর। ফিট থাকতে সেই সুযোগ কখনও হাতছাড়া করেনি তিনি।

বন্ধ করুন