বাংলা নিউজ > ময়দান > ফিফা ও ইনভেস্টারের সাঁড়াশি চাপ, সমস্যায় ইস্টবেঙ্গল
ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষের অনুষ্ঠান (ছবি: গুগল) 
ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষের অনুষ্ঠান (ছবি: গুগল) 

ফিফা ও ইনভেস্টারের সাঁড়াশি চাপ, সমস্যায় ইস্টবেঙ্গল

  • ফুটবলারদের বকেয়া অর্থ না মেটানোয় এবার ফিফার শাস্তির সামনে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। নতুন মরসুমে ফুটবলার সই করানোর ক্ষেত্রে লাল হলুদে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ফিফা।

ফুটবলারদের বকেয়া অর্থ না মেটানোয় এবার ফিফার শাস্তির সামনে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। নতুন মরসুমে ফুটবলার সই করানোর ক্ষেত্রে লাল হলুদে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ফিফা। ক্লাব কর্তা ও ইনভেস্টারের চুক্তি বিতর্কের মধ্যেই নির্বাসনের শাস্তি নেমে এল শতবর্ষ প্রাচীন এই ক্লাবের সামনে। আইএসএলের আর এক দল কেরালা ব্লাস্টার্সকেও নির্বাসিত করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।

নির্বাসনের শাস্তি যে নেমে আসতে চলেছে, খুব ভালই জানতেন লগ্নিকারী সংস্থার কর্তারা। কিন্তু তাঁরা নির্বাসন আটকানোর কোনও উদ্যোগ নেননি। পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা যদি চূড়ান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করতেন, তা হলেই তাঁরা সমস্যা সমাধান করতে উদ্যোগ নিতেন।

লাল-হলুদের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পরে নতুন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট তরফ থেকে এএফসি-র কাছে মুচলেকা দিয়ে জানান হয়েছিল, ক্লাবের যাবতীয় বকেয়া তারা মিটিয়ে দেবে। এই বকেয়ার পরিমাণ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। পাশাপাশি লগ্নিকারী সংস্থার কর্তারা দাবি করেছিলেন, প্রাথমিক চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসের আগে ইস্টবেঙ্গলের কোনও আর্থিক দায় তাঁরা নেবেন না।  

চুক্তি অনুযায়ী অর্থ না পেয়ে আগের লগ্নিকারী সংস্থাকে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন লাল-হলুদের একাধিক ফুটবলার। কিন্তু তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, যেহেতু ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে, তাই ফুটবলারদের বকেয়া মেটানোর দায়িত্ব তারা নেবে না। এর পরেই ফেডারেশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ফুটবলারেরা। অভিযোগ করেন ভারতের ফুটবলারদের সংস্থার কাছেও। ফিফার কাছে অভিযোগ করেন স্পেনীয় ফিজিক্যাল ট্রেনার কার্লোস নোদার। ফুটবলার খাইমে সান্তোস কোলাদো-সহ অনেকেই। 

মাসখানেক আগেই ফিফার তরফে চিঠি দিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে দ্রুত বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া না মেটালে নতুন মরসুমে ফুটবলারদের সই করানোর উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। সোমবার সেটাই করল ফিফা।

এদিকে ক্লাব কর্তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে স্বাক্ষরিত হওয়া প্রাথমিক চুক্তিকে মান্যতা দিতে রাজি নন। উল্টে বারবার অভিযোগ করছেন, প্রাথমিক ও চূড়ান্ত চুক্তির মধ্যে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। ফিফা নির্বাসন না তুললে খেলবে কী করে লাল-হলুদ? লগ্নিকারী সংস্থার কর্তারা জানিয়ে দিলেন, চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা এই বিষয় নিয়ে ভাবতেই চান না।

বন্ধ করুন