বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > তরুণদের মতো ফিট থাকতে ৫০ হাজার পাউন্ডের ‘ক্রাইওথেরাপি চেম্বার’ কিনলেন ৩৬ বছরের CR7
এই ধরণের  ‘ক্রাইওথেরাপি চেম্বার’ কিনলেন ৩৬ বছরের CR7 (ছবি:পিন্টারেস্ট)
এই ধরণের  ‘ক্রাইওথেরাপি চেম্বার’ কিনলেন ৩৬ বছরের CR7 (ছবি:পিন্টারেস্ট)

তরুণদের মতো ফিট থাকতে ৫০ হাজার পাউন্ডের ‘ক্রাইওথেরাপি চেম্বার’ কিনলেন ৩৬ বছরের CR7

  • ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডকে সাফল্য পাওয়াটা সহজ হবেনা। আর তার জন্য তাঁকে চূড়ান্ত ফিট থাকতে হবে। তবেই তিনি গোল করতে পারবেন। তিনি গোল পেলে তবেই টিম সফল হবে। সেই কারণেই এবার নতুন এক পথে হাঁটতে চলেছেন সিআর সেভেন। এবার নিজের জন্য ক্রাইওথেরাপি চেম্বার আনালেন তিনি।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ম্যাঞ্চেস্টারে যোগ দেওয়ার পর থেকে রোনাল্ডো বুঝতে পারছিলেন, ৩৬ বছরে ইপিএলের ধকল নিয়ে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডকে সাফল্য পাওয়াটা সহজ হবেনা। আর তার জন্য তাঁকে চূড়ান্ত ফিট থাকতে হবে। তবেই তিনি গোল করতে পারবেন। তিনি গোল পেলে তবেই টিম সফল হবে। সেই কারণেই এবার নতুন এক পথে হাঁটতে চলেছেন সিআর সেভেন। এবার নিজের জন্য ক্রাইওথেরাপি চেম্বার আনালেন তিনি। 

৩৬-এও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নিজেকে ফিট রাখার জন্য কোনও কিছুর সঙ্গেই আপোষ করেন না তিনি। যে কারণে সিআর সেভেন এখনও গোলের পর গোল করছেন। সেই তিনিই এ বার ৫০ হাজার পাউন্ড দিয়ে কিনলেন নতুন আইসবাথ, যার নাম ক্রাইওথেরাপি চেম্বার। ইতালি থেকে আনা হয়েছে এই আইসবাথ। এই জাকুজির নাম ক্রাইওথেরাপি। যার তাপমাত্রা মাইনাস ২০০ ডিগ্রিতে নিয়ে যাওয়া। আর তার ফলে মানব দেহের টিস্যুর রিহ্যাব খুব দ্রুত হয়। ম্যাচ খেলার ধকল দ্রুত কাটিয়ে ওঠা যায়। ওই ক্রাইওথেরাপি চেম্বার থেকে নাইট্রোজেন নির্গত হয়। যা কুলডাউনে ভীষণ সাহায্য করে। ৩ মিনিটের বেশি ওই চেম্বারে থাকা যায় না। কিন্তু ৩ মিনিটের মধ্যেই শরীরের যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতি পূরণ হয়ে যায়। রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যায়।

রোনাল্ডো ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলছেন, ‘রোনাল্ডো যে কোনও ম্যাচ খেলার পর ধকল থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য সব সময় সতর্ক থাকে। যাতে শারীরিক ভাবে আবার সক্ষম হয়ে ওঠে। আর তা যত দ্রুত হবে, তত ওর শরীর সক্ষম হয়ে উঠবে। ফের একটা ম্যাচ খেলার জন্য তৈরি হয়ে যাবে। তবে, ক্রাইপোথেরাপি চেম্বার ইতালি থেকে চেশায়ারে রোনাল্ডোর বাড়িতে আনা সহজ ছিল না। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে অবশেষে সেটা সম্ভব হয়েছে। আর সে কারণে ও খুব খুশিও হয়েছে। আসলে ইপিএল খেলার ধকল অনেক বেশি। তাতে প্রত্যাশা সব সময় আকাশছোঁয়া থাকে। সমর্থকদের প্রত্যাশাপূরণ করতে ও সব সময় মরিয়া। যে কারণে ক্রাইপোথেরাপি চেম্বার আনতে চেয়েছিল।’ ২০১৩ সাল থেকে আইসবাথ ব্যবহার করছেন রোনাল্ডো। তখন রিয়াল মাদ্রিদে খেলতেন সিআর সেভেন। তার পর থেকে তাঁর ফুটবল জীবনে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে আইসবাথ। এবার যুক্ত হল ক্রাইওথেরাপি চেম্বার।

বন্ধ করুন