বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবলের মহারণ > ৪ ঘণ্টায় শেষ হল ৯০ মিনিটের খেলা! বোমা-মিসাইলের মাঝে শুরু ইউক্রেনের ঘরোয়া লিগ

৪ ঘণ্টায় শেষ হল ৯০ মিনিটের খেলা! বোমা-মিসাইলের মাঝে শুরু ইউক্রেনের ঘরোয়া লিগ

ইউক্রেনের ঘরোয়া ফুটবল লিগ

রাশিয়া বনাম ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনও থামেনি। মাঝের মধ্যেই ইউক্রেনের আকাশে রাশিয়ার যুদ্ধ বিমান ঘুরছে। সেখান থেকে উড়ে আসা বোমা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে বাড়ি-ঘর। মাঝে মধ্যে ধেয়ে আসছে মিসাইল। এর মধ্যেই ঘরোয়া ফুটবল শুরু হয়েছে ইউক্রেনে।

রাশিয়া বনাম ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনও থামেনি। মাঝের মধ্যেই ইউক্রেনের আকাশে রাশিয়ার যুদ্ধ বিমান ঘুরছে। সেখান থেকে উড়ে আসা বোমা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে বাড়ি-ঘর। মাঝে মধ্যে ধেয়ে আসছে মিসাইল। এর মধ্যেই ঘরোয়া ফুটবল শুরু হয়েছে ইউক্রেনে। মঙ্গলবার চারটে খেলা হয়েছিল। কিন্তু কোনও সমস্যা হয়নি। তবে বুধবার তিন বার বন্ধ হয়েছে একটি খেলা।

লিভিভের ইউক্রেনা স্টেডিয়ামে রুখ লিভিভ ও মেটালিস্ট খারকিভের মধ্যে ম্যাচ চলাকালীন তিন বার সাইরেন বাজে। সাইরেন বাজার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফরা গিয়ে আশ্রম নেন নিরাপদ স্থানে। স্থানীয় সময় দুপুর ৩টেয় খেলা শুরু হলেও তা শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে। শেষ পর্যন্ত খারকিভ ২-১ গোলে ম্যাচ জেতে।

আরও পড়ুন… AIFF Elections: কল্যাণকে কড়া ট্যাকেলে ফেললেন, AIFF-এর প্রেসিডেন্ট পদের মনোনয়ন জমা দিলেন বাইচুং

এদিন খেলা শুরু হওয়ার ৯০ মিনিট পরেও সেই ম্যাচ শেষ হল না। মাঝে তিন বার বন্ধ হল এদিনের ম্যাচ। সাইরেন বাজতেই ফুটবলাররা নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিলেন। ম্যাচের মধ্যে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ফুটবলাররা লুকিয়েই থাকলেন। ফলে ৯০ মিনিটের খেলা গড়াল সাড়ে ৪ ঘণ্টা। বোমা,মিসাইলের আতঙ্কের মধ্যে এ ভাবেই শুরু হল ইউক্রেনের ঘরোয়া ফুটবল লিগ।

ইউক্রেন ফুটবল সংস্থার প্রধান অ্যান্ড্রি পাভেলকো বলেন,‘সম্পূর্ণ অন্য রকম পরিস্থিতিতে লিগ শুরু করছি। যুদ্ধের মধ্যেই খেলা হচ্ছে। বোমা,মিসাইলের আতঙ্ক নিয়েই খেলা হচ্ছে। অনেক ক্লাবের স্টেডিয়াম ভেঙে পড়েছে। তাদের সাহায্য করতে অন্য ক্লাব এগিয়ে এসেছে। ফুটবল আমাদের কাছে আবেগ,লড়াই। কোনও যুদ্ধ একে আটকে রাখতে পারবে না।’

আরও পড়ুন… মোহনবাগান এখন ATK নাকি ATKMB! কার ভুলে সোশ্যাল মিডিয়াতে উঠল বিতর্কের ঝড়

বর্তমানে বোমা,মিসাইলের আতঙ্কের মধ্যে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়,প্রতিটি ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামের ভিতরে তৈরি রাখা হচ্ছে সেনাবাহিনীকে। যদি কখনও এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সাইরেন বাজে তা হলে সেনাবাহিনী ঘিরে ফেলছে স্টেডিয়াম। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরে তারা জানাচ্ছে খেলা শুরু করা যাবে কি না।

বন্ধ করুন