বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > প্রয়াত দুই প্রধানে খেলা জাতীয় দলের গোলকিপার, শোকের ছায়া ফুটবল মহলে
কানাই সরকার।
কানাই সরকার।

প্রয়াত দুই প্রধানে খেলা জাতীয় দলের গোলকিপার, শোকের ছায়া ফুটবল মহলে

  • কানাই সরকারের ঘরোয়া ফুটবলে প্রাপ্তির সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। ১৯৬৬ সালে এরিয়ান্সের হয়ে বর্দোলোই ট্রফি জিতেছিলেন। ১৯৬৯ এবং ১৯৭১ সালে বাংলার জার্সিতে সন্তোষ ট্রফি জিতেছিলেন। কলকাতা ফুটবলের দুই জায়ান্ট ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান জার্সিতে সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় কাটিয়েছেন কানাই সরকার।

করোনা আবহের মধ্যেই চোখের জলে ভাসিয়ে একের পর এক কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যু খবর প্রকাশ্যে আসছে। এ বার ময়দানের আরও এক ফুটবলার প্রয়াত হয়েছেন। দুই প্রধানে খেলা প্রাক্তন গোলকিপার কানাই সরকার বুধবার রাত ১০ টার সময় প্রয়াত হন। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলে খেলার পাশাপাশি বাংলা এবং জাতীয় দলের হয়েও ফুটবল খেলেছেন তিনি।

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে ইউএসএসআর-এর বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। ১৯৭০ সালে এশিয়ান ক্লাব কাপে অংশগ্রহণের জন্য তেহরানে যাওয়া বাংলা দলেরও একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।

কানাই সরকারের ঘরোয়া ফুটবলে প্রাপ্তির সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। ১৯৬৬ সালে এরিয়ান্সের হয়ে বর্দোলোই ট্রফি জিতেছিলেন। ১৯৬৯ এবং ১৯৭১ সালে বাংলার জার্সিতে সন্তোষ ট্রফি জিতেছিলেন। কলকাতা ফুটবলের দুই জায়ান্ট ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান জার্সিতে সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় কাটিয়েছেন কানাই সরকার। 

ইস্টবেঙ্গলে দুই বছরের মেয়াদে কানাই সরকার দু'বার কলকাতা ফুটবল লিগ, এক বার আইএফএ শিল্ড এবং ডুরান্ড কাপ জিতেছে। মোহনবাগানের জার্সিতে একই বছরে তিনি বর্দোলোই ট্রফি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেছিলেন।

ফেডারেশনের সভাপতি প্রফুল প্যাটেল তাঁ মৃত্য়ুতে গভীর শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘মিস্টার সরকার আর আমাদের মাঝে নেই, এই খবরে আমি সত্যিই দুঃখিত। ভারতীয় ফুটবলে তাঁর অমূল্য অবদান সব সময় আমাদের সঙ্গেই থাকবে।’

এআইএফএফ সচিব কুশল দাস আবার বলেছেন, ‘মিস্টার সরকার একজন ব্যতিক্রমী গোলরক্ষক ছিলেন, যিনি আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া স্তরে দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছেন। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।’

বন্ধ করুন