বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > AIFF President Elections: মাত্র ১ 'গোল' স্ট্রাইকার বাইচুংয়ের, ৩৩ 'গোল' করে AIFF-র সভাপতি গোলকিপার কল্যাণ
কল্যাণ চৌবে। (ফাইল ছবি)

AIFF President Elections: মাত্র ১ 'গোল' স্ট্রাইকার বাইচুংয়ের, ৩৩ 'গোল' করে AIFF-র সভাপতি গোলকিপার কল্যাণ

  • AIFF President Elections: সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ৮৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এআইএফএফের মসনদে বসলেন কল্যাণ চৌবে। হেরে গেলেন বাইচুং ভুটিয়া। তিনি জানিয়েছেন, এআইএফএফের কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্য থাকবেন।

প্রাক্তন স্ট্রাইকার বাইচুং ভুটিয়া করতে পারলেন মাত্র এক ‘গোল’। ৩৩ ‘গোল’ করে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (এআইএফএফ) সভাপতি নির্বাচিত হলেন প্রাক্তন গোলকিপার কল্যাণ চৌবে। ৮৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এআইএফএফের মসনদে বসলেন তিনি। সেইসঙ্গে ১৩ বছর ফের বাঙালি সভাপতি পেল এআইএফএফ।

সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচনে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন গোলকিপার কল্যাণের জয় নিশ্চিত ছিল। এমনকী নিজের রাজ্য সিকিমের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে পাশে পাননি বাইচুং। তারপরও মাঠ ছেড়ে যাননি। লড়াইয়ের ময়দানে নামেন ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন স্ট্রাইকার। যাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের ফুটবল সংস্থার সভাপতি গোপালকৃষ্ণ কোসারাজু। সমর্থন জুগিয়েছিলেন রাজস্থান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দিলীপ সিং শেখাওয়াত।

তাতে অবশ্য কোনও লাভ হয়নি। এআইএফএফ সভাপতি নির্বাচনে মাত্র একটি ভোট পান ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার বাইচুং। ইস্টবেঙ্গলে বাইচুংয়ের প্রাক্তন সতীর্থ কল্যাণের পক্ষে ৩৩ টি ভোট পড়েছে। যিনি বিজেপির টিকিটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে জয়ের স্বাদ পাননি। ভারতীয় সিনিয়র দলের জার্সি পরেও মাঠে নামেননি কল্যাণ। তবে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কুর্সিতে বসলেন তিনি।

নির্বাচনে হেরে গেলেও ভারতীয় ফুটবলের থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন না বাইচুং। তিনি জানিয়েছেন, এআইএফএফের কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্য থাকবেন। তাঁর কথায়, 'আমি নির্বাচনের আগেও ভারতীয় ফুটবলের জন্য কাজ করেছি এবং (নির্বাচনের পরও) কাজ করতে থাকব।'

আরও পড়ুন: BCCI সভাপতির উদাহরণ টেনে AIFF-এর সিংহাসনে বসতে চান বাইচুং ভুটিয়া

ফিফার ব্যান এবং এআইএফএফের নির্বাচন

'তৃতীয় পক্ষের' হস্তক্ষেপের জন্য সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে নির্বাসিত করেছিল বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা। সেইসঙ্গে চলতি বছরের অক্টোবরে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে এআইএফএফের উপর যে নির্বাসনের খাঁড়া ঝুলছে, তা আগেই স্পষ্ট দিয়েছিল ফিফা।

আরও পড়ুন: নির্বাসন উঠতেই ফের শাস্তির মুখে, AIFF-কে বড় অঙ্কের জরিমানা করল AFC

সেই পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে এআইএফএফ মামলার শুনানি হয়। ২২ অগস্ট সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (এআইএফএফ) প্রশাসক কমিটির ক্ষমতা কেড়ে নেয় সুপ্রিম কোর্ট। যা ফেডারেশনের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনার জন্য গঠন করা হয়েছিল। সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত আশাপ্রকাশ করেছিল, ‘এআইএফএফের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে ফিফা।’

রায়ের পরদিনই ফিফার কাছে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আর্জি জানায় এআইএফএফ। সেই আর্জিতে সাড়া দেয় ফিফা। নির্বাসিত করার ১১ দিনের মাথায় কলঙ্কমুক্ত হয় সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সেইসঙ্গে অক্টোবরে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বও ফিরে পায় ভারত।

বন্ধ করুন