বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে গত মরশুমের প্রথম ম্যাচের ফলের পুনরাবৃত্তি চায় ATK MB
এটিকে মোহনবাগান।
এটিকে মোহনবাগান।

কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে গত মরশুমের প্রথম ম্যাচের ফলের পুনরাবৃত্তি চায় ATK MB

  • গত বছর এই কেরলকে হারিয়েই যাত্রা শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। ১-০ কেরলকে হারিয়েছিল হাবাসের দল। এ বার একই ফলের পুনরাবৃত্তি চায় এটিকে মোহনবাগান।

আরও একটা নতুন লড়াই শুরু। আবারও নতুন লক্ষ্য নিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করতে চলেছে এটিকে মোহনবাগান। এই মরশুমে আইএসএল শুরু হচ্ছে ১৯ নভেম্বর থেকে। আর প্রথম দিনই খেলতে নামছে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের এটিকে মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ কেরল ব্লাস্টার্স।

গত বছর এই কেরলকে হারিয়েই যাত্রা শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। ১-০ কেরলকে হারিয়েছিল হাবাসের দল। এ বার একই ফলের পুনরাবৃত্তি চায় এটিকে মোহনবাগান।

এই বছর এটিকে-এর দলে অভিজ্ঞ বিদেশি এবং দেশি ফুটবলারদের পাশাপাশি রয়েছেন তরুণ প্রতিভাও। জুনিয়র-সিনিয়রের মিশ্রণে একেবারে ব্যালেন্সড দল। বরাবর রক্ষণ নীতি মজবুত করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেন গুরু হাবাস। মনে করা হচ্ছে, এই বিষয়টি এবারেও বজায় থাকতে চলেছে।

হাবাস গত কাল তিন জন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেছেন। রয় কৃষ্ণ এবং প্রীতম কোটালের সঙ্গে শুভাশিস বসু। প্রথম দুজন গত বারও অধিনায়ক ছিলেন। লেফট ব্যাক শুভাশিস এই প্রথম অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন। নতুন দেশি ফুটবলার বলতে মোহনবাগান দলে নিয়েছে গোয়ার লিস্টন কোলাসোকে। মাঝ মাঠে কোলাসো দলের ভরসা জোগাতে পারেন। গত বার চোটের জন্য পাওয়া যায়নি দুই উইঙ্গার প্রবীর দাস এবং সুসাইরাজকে। এ বার তাঁরা দুজনেই ফিট হয়ে গিয়েছেন। সামনের দিকে রয় কৃষ্ণ এবং ডেভিড উইলিয়ামসের সঙ্গে আছেন মনবীর সিং-ও। মোহনবাগানের হয়ে তিনি অনেক গোলও করেছেন।

নিজেদের চার বিদেশিকে তারা ধরে রেখেছে। তাঁরা হলেন ফরোয়ার্ড রয় কৃষ্ণ এবং ডেভিড উইলিয়ামস। ডিফেন্ডার তিরি এবং মিডফিল্ডার কার্ল ম্যাকহিউ। এদের সঙ্গে মোহনববাগান দলে নিয়েছে ইউরো কাপ খেলা ফিনল্যান্ডের মিডফিল্ডার জনি কাউকো এবং মুম্বইএর মিডফিল্ডার হুগো বৌমোকে। এই দুজনের যোগদানে মোহনবাগানের শক্তি অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে দল গঠন নিয়ে সমস্যাও। যেহেতু চার বিদেশিকেই মাঠে নামানো যাবে, তাই কোচ আন্তোনিও হাবাসকে সমস্যায় পড়তে হবে কোন দু'জনকে বাদ দেবেন। রয় কৃষ্ণ তো খেলবেনই। তাঁর সঙ্গী ডেভিড উইলিয়ামসকেও হয়তো নামাতে হবে। তবে গত বছরের লিগে মোহনবাগান রক্ষণকে নির্ভরতা দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিঙ্গন। এবার তিনি চলে গেছেন ক্রোয়েশিয়ার ক্লাবে। তাঁর বদলে সে রকম বড় কোনও দেশি ফুটবলারের নাম পায়নি মোহনবাগান। 

সেন্ট্রাল ডিফেন্সে দীপক টেংরি কিংবা সুমিত রাঠি-ই ভরসা হাবাসের। তবে তিরি আছেন। তাঁকে যদি নামাতে হয় তাহলে হুগো বৌমাস কিংবা জনি কাউকোর মধ্যে একজনকে বসতে হবে। প্রতীক্ষায় থাকতে হবে কার্ল ম্যাকহিউকেও। তবে এত বড় লিগে কে কখন চোট পাবেন, কার্ড দেখবেন সেটাও একটা বিষয়। তাই সুযোগ হয়তো সবাই পাবেন। এখন দেখার, হাবাস কীভাবে বিদেশিদের ব্যবহার করেন।

বন্ধ করুন