বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > জীবনের ময়দানকে ‘গুডবাই’, প্রয়াত দুই প্রধানে খেলা ‘বাজপাখি’ সনৎ শেঠ
সনৎ শেঠ।
সনৎ শেঠ।

জীবনের ময়দানকে ‘গুডবাই’, প্রয়াত দুই প্রধানে খেলা ‘বাজপাখি’ সনৎ শেঠ

  • ১৯৪৯ থেকে ১৯৬৮- দু'দশক পর্যন্ত কলকাতা ময়দানে দাপিয়ে খেলেছেন গোলরক্ষক সনৎ শেঠ। দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানে দাপিয়ে খেলার পাশাপাশি ইস্টার্ন রেল এবং এরিয়ান্সের হয়ে তিন কাঠির নিচে দাঁড়িয়ে অজস্র ম্যাচে দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন। খেলেছেন বাংলার হয়েও। জাতীয় দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন।

প্রয়াত হলেন দুই প্রধানে খেলা বাংলার কিংবদন্তি গোলরক্ষক সনৎ শেঠ। তিনি শুক্রবার পানিহাটির নিজের বাড়িতে সকাল ১০টা ৪০ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ঠিক মতো হাঁটতে পারতেন না। সঙ্গী ছিল ক্রাচ। অন্য কারও সহযোগিতায় দাঁড়াতে হত সনৎ শেঠকে। বার্ধক্যের ভারেও ভুগছিলেন তিনি। চুনী গোস্বামী এবং পিকে বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়াত হওয়ার পর বলেছিলেন, ‘চুনী-প্রদীপও চলে গেল!‌ বয়সে একটু ছোট হলেও একসঙ্গে খেলেছি। চুনী অনেকটাই ছোট ছিল। ঘরে বসে খবর শুনছিলাম। চুনীর চলে যাওয়ার খবরে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গিয়েছে।’ তাঁর স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে বছরখানেক আগে। পুত্র, পুত্রবধূ এবং দুই নাতনিকে নিয়েই পানিহাটিতে থাকতেন এই গোলরক্ষক।

১৯৪৯ থেকে ১৯৬৮- দু'দশক পর্যন্ত কলকাতা ময়দানে দাপিয়ে খেলেছেন গোলরক্ষক সনৎ শেঠ। দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানে দাপিয়ে খেলার পাশাপাশি ইস্টার্ন রেল এবং এরিয়ান্সের হয়ে তিন কাঠির নিচে দাঁড়িয়ে অজস্র ম্যাচে দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন। খেলেছেন বাংলার হয়েও। জাতীয় দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৫৪-‌র ম্যানিলা এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দলে ছিলেন। তবে প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তখনকার দিনে চতুর্দলীয় প্রতিযোগিতায় পরপর দু’বছর ভারতীয় দলে ছিলেন। ১৯৫৫ সালে রাশিয়া সফরেও গিয়েছিলেন তিনি। প্রবল স্মৃতিশক্তির অধিকারী এই মানুষটির কাছে ফুটবল ইতিহাস জানতে ছুটে যেতেন অনেকেই।

বন্ধ করুন