বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবলের মহারণ > FIFA World Cup-এর মাঝে খারাপ খবর, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলম্বিয়ার মিডিও-র

FIFA World Cup-এর মাঝে খারাপ খবর, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলম্বিয়ার মিডিও-র

বিশ্বকাপের মাঝেই মারা গেলেন কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার আন্দ্রেস বালান্তা।

২২ বছরের এই ফুটবলার বর্তমানে বিশ্বকাপ টিমের অংশ নন। তিনি আর্জেন্তিনার প্রথম ডিভিশনের ক্লাব অ্যাটলেটিকো টাকুমানে খেলতেন। মঙ্গলবার ক্লাবের অনুশীলন চলাকালীন হঠাৎ-ই তিনি মাঠের মধ্যে পড়ে যান। অসাড় হয়ে পড়েছিল তাঁর শরীর। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় টাকুমান হেল্‌থ সেন্টার হাসপাতালে।

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের মাঝেই বড় হৃদয়বিদারক ঘটনা। অনুশীলনের সময়ে প্রয়াত হলেন কলম্বিয়ার এক ফুটবলার। জানা গিয়েছে, অনুশীলন করার সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন আন্দ্রেস বালান্তা। আর তার পরেই তিনি প্রয়াত হন।

২২ বছরের এই ফুটবলার বর্তমানে বিশ্বকাপ টিমের অংশ নন। তিনি আর্জেন্তিনার প্রথম ডিভিশনের ক্লাব অ্যাটলেটিকো টাকুমানে খেলতেন। মঙ্গলবার ক্লাবের অনুশীলন চলাকালীন হঠাৎ-ই তিনি মাঠের মধ্যে পড়ে যান। অসাড় হয়ে পড়েছিল তাঁর শরীর। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় টাকুমান হেল্‌থ সেন্টার হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচানোর সব ধরনের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। অবস্থা খারাপ থেকে খারাপের দিকে যায়।

আরও পড়ুন: পুরুষদের ম্যাচে মহিলা রেফারি, কাল ইতিহাস গড়বেন ফ্রান্সের স্টেফানি

ক্লাব সূত্রে খবর, অবস্থা খারাপ হওয়াতে বালান্তাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেন্ত্রো দ্য সালুড হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলে, সেখানকার চিকিৎসকেরা ২২ বছরের ফুটবলারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বালান্তার মৃত্যুতে ফুটবল মহলে শোকের ছায়া নেমেছে।

আরও পড়ুন: ইরানকে হারিয়ে নকআউটে USA, ‘বি’ গ্রুপের টপার ইংল্যান্ড

ক্লাবের তরফে তাঁর পরিবারকে জানানো হয় পুরো ঘটনা। একটি বিবৃতি জারি করে বালান্তার ক্লাবের তরফে লেখা হয়েছে, ‘ওকে বাঁচানোর সব রকম চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। পরিবারকে জানানো হয়েছে। তারা এসে বালান্তার দেহ নিয়ে যাবেন।’

২০১৯ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার হয়ে খেলেছেন এই তরুণ। ২০২১ সালে দেপোর্তিভো সালি থেকে অ্যাটলেটিকো টাকুমানে যোগ দেন তিনি। এর আগে চলতি বছর জুন মাসে অ্যাটলেটিকোরই ২১ বছরের এক ফুটবলার ফ্যাব্রিসিয়ো নাভারো ঘুমের মধ্যে হৃৎরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। এক বছরে দু’জন ফুটবলার হারাল ক্লাব।

বন্ধ করুন