বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবলের মহারণ > মাথায় ঝুলছে ফিফার নির্বাসনের খাঁড়া, মুখ খুললেন সুনীল ছেত্রী

মাথায় ঝুলছে ফিফার নির্বাসনের খাঁড়া, মুখ খুললেন সুনীল ছেত্রী

সুনীল ছেত্রী।

ফিফার নির্বাসনের আশঙ্কার মধ্যে ডুবে থাকা ভারতীয় ফুটবলারদের এ সব নিয়ে বেশি ভাবতে বারণ করেছেন সুনীল। তাঁর পরামর্শ, সবটা ভুলে ফুটবলাররা নিজেদের খেলা নিয়ে ভাবুক।

সম্প্রতি ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতকে ঘিরে টালমাটাল দশা। সঠিক সময়ে নির্বাচন না হলে এবং তৃতীয় পক্ষের প্রভাবের ফলে ফিফার তরফ থেকে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে (এআইএফএফ) নিষিদ্ধ করার এবং ভারত থেকে অনুর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ভারতের তারকা ফুটবলার সুনীল ছেত্রী।

আশঙ্কার মধ্যে ডুবে থাকা ভারতীয় ফুটবলারদের এ সব নিয়ে বেশি ভাবতে বারণ করেছেন সুনীল। তাঁর পরামর্শ, সবটা ভুলে ফুটবলাররা নিজেদের খেলা নিয়ে ভাবুক।

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলের জল্পনা উড়িয়ে, কৃষ্ণের পথে হেঁটে নিজের পুরনো ক্লাবেই সই সন্দেশের

বেঙ্গালুরু এফসি আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে সুনীল বলেছেন, ‘ছেলেদের সঙ্গে কথা বলেছি। যা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই সেটা নিয়ে বেশি ভাবতে বারণ করেছি। যারা জড়িত, তারা নিশ্চয়ই ভালো কাজ করছে, যাতে সব কিছু ঠিকঠাক থাকে। প্রত্যেকে পরিশ্রম করছে। ফুটবলার হিসেবে আমরা নিজেদের কাজের প্রতি বেশি মনোযোগ দিচ্ছি। প্রতি দিন যাতে নিজেকে উন্নতি করতে পারি সেই চেষ্টাই করছি। দেশ এবং ক্লাবের হয়ে সুযোগ পেলে নিজেদের সেরাটা দেওয়াই লক্ষ্য থাকুক আমাদের।’

এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেছেন, ‘সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিটা বিভাগে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে, যাতে তারা বিজয়ী হিসেবে উঠে আসে।’

আরও পড়ুন: হাউসফুল যুবভারতীতেই সম্ভবত ডার্বি, ইস্ট-মোহন ম্যাচের টিকিট নিয়ে বড় ঘোষণা

২০১৩ সালে ভারতীয় ফুটবলে আত্মপ্রকাশ হয় বেঙ্গালুরুর। তার পর থেকে আই লিগ, আইএসএল সব জিতলেও তাদের ট্রফি ক্যাবিনেটে নেই ডুরান্ড কাপ। সুনীল নিজেও কোনও দিন ডুরান্ড জেতেননি। এ বার তিনি এবং গোটা দল ডুরান্ড জিততে মরিয়া।

সুনীলের দাবি, ‘ডুরান্ড খুবই পুরনো প্রতিযোগিতা। এই ট্রফি জেতাও অনেক সম্মানের। ক্লাব হিসাবে এবং ব্যক্তিগত ভাবে এই ট্রফি জিততে পারিনি। বহু ট্রফি জেতার সৌভাগ্য হয়েছে। কিন্তু ডুরান্ড কাপ না জেতা এখনও তাড়া করে বেড়ায়। এ বার এই ট্রফি জিততে নিজেদের সেরাটা দেব।’

রয় কৃষ্ণ, সন্দেশ ঝিঙ্গান, প্রবীর দাস, জাভি হার্নান্ডেজ— এটিকে মোহনবাগানের চার ফুটবলারকে নিয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে তারা। ইস্টবেঙ্গলের হিরা মন্ডলকে সই করিয়েছে তারা।

এ দিকে সুনীল ছেত্রীর সঙ্গে রয় কৃষ্ণর জুটির কামাল দেখার অপেক্ষায় ফুটবল প্রেমীরা। সুনীল অবশ্য বলছেন, ‘আমাদের জুটি নিয়ে বেশি হাইপের দরকার নেই। রয় কৃষ্ণ আমাদের দলে আসায় সেটা নিয়েই অনেকে বেশি উৎসাহী হয়ে উঠেছেন। রয়কে পেয়ে ভালোই হয়েছে। আমরা জানি, রয় কী করতে পারে। ট্রেনিংয়েও ও অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। গত কয়েক বছরে রয় প্রতিপক্ষ ফুটবলার হিসেবে আমাদের অনেক বার অস্বস্তিতে ফেলেছে। এখন ও আমাদের দলের জার্সি গায়ে নামবে, এটা খুবই ভালো অনুভূতি।’ এখন দেখার, রয়-সুনীল জুটি ডুরান্ডে বাজিমাত করতে পারে কিনা!

বন্ধ করুন