বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবলের মহারণ > Durand Cup: প্রস্তুতির সুযোগ পাইনি, ৬ দিনে ৩ ম্যাচ- ডার্বি হেরে অজস্র অজুহাত EB কোচের

Durand Cup: প্রস্তুতির সুযোগ পাইনি, ৬ দিনে ৩ ম্যাচ- ডার্বি হেরে অজস্র অজুহাত EB কোচের

মরশুমের প্রথম ডার্বি হারতে হল ইস্টবেঙ্গলকে।

এই নিয়ে টানা হাফ ডজন ডার্বিতে হারল ইস্টবেঙ্গল। যুবভারতীতে আড়াই বছর আগে শেষ ডার্বিতে জিতেছিল সবুজ-মেরুন। শহরে ডার্বির প্রত্যাবর্তনেও শেষ হাসি তাদেরই। গোলের সুযোগ নষ্ট এবং অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক মনোভাবে খেসারত দিতে হল ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে।

মরশুমের প্রথম ডার্বিতেই মুখ থুবড়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। টানা ছ'টি ডার্বিতে হারল লাল-হলুদ। এ দিন বিরতির ঠিক আগেই সুমিত পাসির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে লাল-হলুদ কিছু বিক্ষিপ্ত আক্রমণে উঠলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। যার নিট ফল, ০-১ হারতে হল ইস্টবেঙ্গলকে।

এই নিয়ে টানা হাফ ডজন ডার্বিতে হারল ইস্টবেঙ্গল। যুবভারতীতে আড়াই বছর আগে শেষ ডার্বিতে জিতেছিল সবুজ-মেরুন। শহরে ডার্বির প্রত্যাবর্তনেও শেষ হাসি তাদেরই। গোলের সুযোগ নষ্ট এবং অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক মনোভাবে খেসারত দিতে হল ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে। ডুরান্ডে লাল-হলুদ যে তিনটি ম্যাচ খেলেছে, সেই ম্যাচগুলোতেই পরিষ্কার এখনও ভালে ভাবে তৈরিই নয় স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের দল।

আরও পড়ুন: ATK MB vs EB: টানা হাফ ডজন ডার্বি হার লাল-হলুদের, আত্মঘাতী গোলে বাজিমাত বাগানের

আর ম্যাচ হেরে অজস্র অজুহাত দিলেন স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। ম্যাচের পর মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় লাল-হলুদ কোচ বললেন, ‘ডার্বি হেরে আমি হতাশ। ম্যাচ হারতে আমি পছন্দ করি না। গোলের বেশ কিছু সুযোগ নষ্ট করেছে প্লেয়াররা। মোহনবাগানেরই এই জয় প্রাপ্য।’

এর পরেই নিজের হতাশা এবং ক্ষোভ অজুহাত আকারে বের হয়েছে। স্টিফেন বলেছেন, ‘আমরা সে ভাবে প্রস্তুতির সুযোগই পাইনি। তা ছাড়া ৬ দিনে ৩ ম্যাচ খেলতে হয়েছে। কুকুরেরও এ রকম ট্রেনিং হয় না।’

আরও পড়ুন: আড়াই বছর পর কলকাতায় ডার্বি, আবেগের বিস্ফোরণের টুকরো কোলাজ

এ দিন ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের দল গঠনেই চমক ছিল। প্রথমার্ধে চার বিদেশিকে দলে রেখেছিলেন তিনি। কারালাম্বোস কিরিয়াকু, ইভান গঞ্জালেজ, আলেক্স লিমা এবং এলিয়ান্দ্রো প্রথম একাদশে ছিলেন। অপর দিকে, এটিকে মোহনবাগানের প্রথম একাদশে চার বিদেশি ফ্লোরেন্তিন পোগবা, জনি কাউকো, কার্ল ম্যাকহিউ এবং হুগো বুমোস। প্রথম থেকেই ম্যাচে দাপট দেখাতে শুরু করে এটিকে মোহনবাগান। শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তায় হাঁটে তারা। ইমামি ইস্টবেঙ্গল স্বাভাবিক ভাবেই বেশি জোর দিয়েছিল রক্ষণে। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ইস্টবেঙ্গলের সুমিত পাসির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় সবুজ-মেরুন।

তবে এটিকে মোহনবাগান দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ বজায় রাখে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দু’দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে গোল আসেনি। লিস্টন, আশিক বেশ কয়েক বার গোলের কাছাকাছি চলে যান। কাজের কাজ অবশ্য করতে পারেননি।

বন্ধ করুন