বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > ইভান গঞ্জালেজের পর এ বার জামশেদপুর এফসি-র প্রতিভাবান ফুটবলারকে সই ইস্টবেঙ্গলের
মোবাশির রহমানকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল।
মোবাশির রহমানকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল।

ইভান গঞ্জালেজের পর এ বার জামশেদপুর এফসি-র প্রতিভাবান ফুটবলারকে সই ইস্টবেঙ্গলের

  • ২৪ বছরের মিডফিল্ডারকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। লিগ-শিল্ডজয়ী জামশেদপুরের হয়ে চুটিয়ে খেলেছেন মোবাশির। নজরও কেড়েছেন তিনি। তবে তাঁর ফুটবলার হয়ে ওঠার লড়াইটা কিন্তু এত সহজ ছিল না।

আইএসএলে পরপর দু'বছর চূড়ান্ত ব্যর্থ হয় ইস্টবেঙ্গল। এ বার তাই ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে রয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। যে কারণে তারা পরের মরশুমের জন্য এখন থেকেই দল গঠন শুরু করে দিয়েছে। মুম্বই সিটি এফসি থেকে মহম্মদ রাকিপ এবং এফসি গোয়া থেকে ইভান গঞ্জালেজকে সই করানোর পর এ বার জামশেদপুর এফসি-র প্রতিভাবান ফুটবলার মোবাশির রহমানকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল।

২৪ বছরের এই মিডফিল্ডারকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করানো হয়েছে। লিগ-শিল্ডজয়ী জামশেদপুরের হয়ে চুটিয়ে খেলেছেন মোবাশির। নজরও কেড়েছেন তিনি। তবে তাঁর ফুটবলার হয়ে ওঠার লড়াইটা এত সহজ ছিল না।

রহমানের বাবা মহম্মদ শফিক বিহারের হয়ে ফুটবল খেলেছেন। তবে ২০০৮ সালে চণ্ডীগড় ফুটবল অ্যাকাডেমী থেকে যখন ডাক পান মোবাশির, তখনই তাঁকে সেখানে পাঠাতে রাজি হননি তাঁর মা-বাবা। ছেলেকে ফুটবল খেলতে দেবেন কিনা, সে ব্যাপারে তখনও নিশ্চিত ছিলেন না তাঁরা।

আরও পড়ুন: রক্ষণকে মজবুত করতে সার্থক গোলুইকে ঘরে ফেরাতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল

আরও পড়ুন: আগামী দু'বছরের জন্য ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ডিফেন্ডার ইভান গঞ্জালেস

তবে ছেলেকে দমিয়ে রাখতে পারেননি মোবাশিরের বাবা-মা। কারণ দু’বছর পর মা-বাবাকে বুঝিয়ে চণ্ডীগড় ফুটবল অ্যাকাডেমীই প্রশিক্ষণ নিতে যান রহমান। সেখানে চার বছর কাটিয়ে যোগ দেন টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে। সেখান থেকে ২০১৮-এ জামশেদপুরের প্রাক মরসুম প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেন। এর পর সেই ক্লাবের হয়েই পেশাদার চুক্তিতে সই করেন।

এখনও পর্যন্ত জামশেদপুরের হয়ে মোট ৫৩টি ম্যাচে খেলেছেন তিনি। একটি গোল রয়েছে। গত মরসুমে তিনি ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন। জামশেদপুরের লিগ-শিল্ডজয়ী দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।

বন্ধ করুন