বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > Euro 2020: অন্যের জীবন বাঁচাতে সেমিফাইনাল ওয়েম্বলিতে গেলেন না যুবক, পেলেন ফাইনালের টিকিট
অন্যের জীবন বাঁচাতে সেমিফাইনাল ওয়েম্বলিতে গেলেন না যুবক, পেলেন ফাইনালের টিকিট। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
অন্যের জীবন বাঁচাতে সেমিফাইনাল ওয়েম্বলিতে গেলেন না যুবক, পেলেন ফাইনালের টিকিট। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

Euro 2020: অন্যের জীবন বাঁচাতে সেমিফাইনাল ওয়েম্বলিতে গেলেন না যুবক, পেলেন ফাইনালের টিকিট

  • ঐতিহাসিক ম্যাচ দেখলেন না। রক্ষা করলেন অন্যের জীবন।

স্টেম সেল দান করে অপরজনের জীবন রক্ষা করার প্রতিজ্ঞায় ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০-এর ইংল্যান্ড বনাম ডেনমার্কের খেলা দেখতে যাননি এক ব্রিটিশ ফুটবল ভক্ত৷

ওয়েম্বিলেতে ইউরো ২০২০-এর ওই সেমিফাইনালে যখন হাজার-হাজার দর্শক ইংল্যান্ডে ও ডেনমার্কের লড়াই উপভোগ করছিলেন, তখন ২৪ বছরের স্যাম অ্যাস্টলে তখন লন্ডনের এক হাসপাতালের বেডে শুয়ে স্টেম সেল দান করছিলেন৷

সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়া এমনিতেই দুষ্কর৷ বান্ধবী বেথ হিল এক অনলাইন প্রতিযোগিতায় জিতেছিলেন দুটি টিকিট৷ কিন্তু জীবন বাঁচানোর প্রতিজ্ঞা যে রাখতে হবে! আর তাই সেমিফাইনাল দেখার চেয়ে স্টেম সেল ডোনেশনেই তৃপ্তি খুঁজে নিলেন সেই যুবক৷

স্টেম সেল দানের বিষয়টিকে কতটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন অ্যাস্টলে এ বিষয়ে বলতে গিয়ে তার বান্ধবী বেথ হিল সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘ও বলছিল আমি খেলা দেখতে যাচ্ছি না। যাওয়ার কোনেও উপায় নেই৷ কারও জীবন বাঁচাতে সাহায্য করার সময় এটাই৷’

তবে স্টেম সেল দেওয়ার জন্য অপারেশন থিয়েটারে থাকা অ্যাস্টলে ভোলেনননি নিজ দেশের ঐতিহাসিক সেমিফাইনালের কথা৷ ডাক্তাররা জানান, অপারেশনের পর ‘ফুটবল কামিং হোম’ গানটি গাইছিলেন অ্যাস্টলে৷ ১৯৯৬ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সময় গানটি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল৷

এমন ঘটনায় অ্যাস্টলের ভূয়সী প্রশংসা  শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে৷ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা স্ট্রাইকার গ্যারি লিনেকারও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন অ্যাস্টলের৷ এদিকে অ্যাস্টলে ও তার বান্ধবী হিলকে সুখবর দিয়েছে ইউরো ২০২০-এর স্পনস  কোম্পানি ভিভো৷ স্মার্টফোন কোম্পানি এ জুটিকে তাদের অতিথি হিসেবে ইউরো-২০২০ ফাইনাল ম্যাচ দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে৷

বন্ধ করুন