বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > ভিডিয়ো: কলেজ ফুটবলে গুলি চলছে, আতঙ্কিত খেলোয়াড়রা
কলেজ ফুটবলে তখন গুলি চলছে (ছবি:টুইটার)
কলেজ ফুটবলে তখন গুলি চলছে (ছবি:টুইটার)

ভিডিয়ো: কলেজ ফুটবলে গুলি চলছে, আতঙ্কিত খেলোয়াড়রা

  • কলেজ ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন গুলি চলল। ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

খেলার মাঠের একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে গুলির আওয়াজ শুনে প্লেয়াররা মাঠের বিভিন্ন জায়গায় শুয়ে পড়েন। অনেকে দৌড়াদৌড়ি করতে থাকেন। গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি পড়ে যায়। কিছুক্ষণ শুয়ে থাকার পর প্লেয়াররা একে একে উঠে ড্রেসিংরুমের দিকে দৌড়ে যাচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায়।

সেখানকার কলেজ ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন গুলি চলল। ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উইলিয়ামসন হাইস্কুল বনাম ভিগোর হাইস্কুলের ম্যাচ চলাকালীন। সেই সময় শেষ রাউন্ডের ম্যাচ চলছিল। হঠাৎ গুলি চলতে শুরু করে। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে স্টেডিয়ামের ভিতরে গুলি চলেনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নিরাপত্তা আধিকারিকরা। ঘটনায় জড়িতদের উদ্দেশ্যে খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, স্টেডিয়ামের পশ্চিম ব়্যাম্পের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। ম্যাচের শেষের দিক বলে সেই সময় দর্শকরা সেখান দিয়ে বেরচ্ছিলেন। পুলিশের অনুমান, বন্দুকবাজ একজনই ছিল। গুলি চালিয়ে সে ভিড়ের মধ্যে পালিয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শুনে বন্দুকবাজকে খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের অপর একটি পক্ষের মতে, ঘটনাস্থানে দুজন বন্দুকবাজ ছিল। কী কারণে এই গুলি চলল, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গুলি চলার পরে মানুষজন দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেয়। নিরাপত্তারক্ষীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খেয়ে যায়। বড় সংখ্যায় দর্শকরা একটাই গেট দিয়ে বেরতে চায়। ২০১৯ সালের অগস্ট মাসে এই লাড-পেবেলস স্টেডিয়ামে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় গুলিবিদ্ধ হন ৯ জন। গ্রেফতার হয় ১৭ বছর বয়সি এক নাবালক। সেই ঘটনার পর ফের আবার গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল। ফলে নিরাপত্তা নিয়ে বেশ আতঙ্কে রয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

বন্ধ করুন