বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > গোয়া বনাম বাংলা! হাইভোল্টেজ ডুরান্ড ফাইনালের আগে ফুটছে মহমেডান স্পোর্টিং-এফসি গোয়া
ফাইনালের আগে মহমেডান স্পোর্টিং এর অনুশীলন (ছবি:মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব)
ফাইনালের আগে মহমেডান স্পোর্টিং এর অনুশীলন (ছবি:মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব)

গোয়া বনাম বাংলা! হাইভোল্টেজ ডুরান্ড ফাইনালের আগে ফুটছে মহমেডান স্পোর্টিং-এফসি গোয়া

  • আট বছর আগে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেছিল মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তাদের সামনে এবার এফসি গোয়া। ২০১৩ সালে ওএনজিসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে সে বার শেষ ডুরান্ড কাপ জিতেছিল সাদা কালো ব্রিগেড।

আট বছর আগে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেছিল মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তাদের সামনে এবার এ২০১৩ সালে ওএনজিসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে সে বার শেষ ডুরান্ড কাপ জিতেছিল সাদা কালো ব্রিগেড। মাঝে অনেকটা সময় চলে গেছে। আবার হাতের সামনে ডুরান্ড কাপ জয়ের হাতছানি রয়েছে ব্ল্যাক প্যান্থারদের সামনে। সেই সুযোগটাকে কোনও ভাবে হাতছাড়া করতে চাইছেনা কেউই। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের অনুপস্থিতিতে মহমেডান ডুরান্ড কাপ জিতে বাংলা ফুটবলের বিজয় ধ্বজা উড়াতে চাইছে। সেই কারণে ইতিমধ্যেই সল্টলেক স্টেডিয়ামে ভিড় জমানোর পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে মহমেডানের ভক্তরা। তবে মার্কাসদের সামনে এখন কঠিন প্রতিপক্ষ আইএসএল খেলা এফসি গোয়া।  

আইএসএলের দল এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ফাইনাল। হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কিছুটা হলেও খাতায় কলমে পিছিয়ে রয়েছে মহমেডান। কিন্তু নিজেদের আন্ডারডগ ভাবতে রাজি নয় মহমেডানের মার্কাস। কোনও হিসেব-নিকেশ নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইছেন না তিনি। একটাই লক্ষ্য ডুরান্ড ফাইনাল জিতে মাঠ ছাড়া। সেমিফাইনালে শক্তিশালী বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র সংগ্রহ করেছে গোয়া। তাই ফুটবল বোদ্ধাদের ফেভারিট আইএসএলের দল। কিন্তু এই যুক্তি মানছেন না সাদা কালোর একনম্বর স্ট্রাইকার। মার্কাস বলেন, ‘আমি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। ডুরান্ড ফাইনাল সবসময় স্পেশাল ম্যাচ। আমরা বেশ কয়েকদিন একসঙ্গে খেলায় দলের মধ্যে বোঝাপড়া, স্পিরিট খুব ভালো। দলগত সংহতিতে জোর দিতে হবে। আমার বিশ্বাস আমাদের ফাইনাল জেতার ক্ষমতা আছে। সমর্থকদের বলব মাঠে এসে আমাদের পাশে থাকতে।’

এদিকে শোনা যাচ্ছে মহমেডানের সমর্থকেরা ভিড় জমাবেন রবিবারের যুবভারতীতে। যাকে মোটিভেশন করতে চান আজহারউদ্দিন। সাপোর্টারদের আবেগ, ভালোবাসায় ভর করেই বাজি জিততে চান সাদা কলোর উইঙ্গার। আজহার বলেন, ‘আমরা আগের ম্যাচে ২-১ থেকে ২-২ করেছি। তারপর ৪-২ গোলে জিতেছি। এই জয়টাই আমাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে। যেকোনও পজিশন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আছে আমাদের। এটাই আত্মবিশ্বাস দেবে। আমাদের টিম খুবই মোটিভেটেড। সেমিফাইনালে আমরা যে লড়াইটা দিয়েছিলাম, ফাইনালেও সেটাই দেব। আমরা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আগের ম্যাচে গ্যালারিতে সমর্থকরা থাকায় আমাদের আত্মবিশ্বাস দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছিল। আশা করব রবিবারও তাই হবে।’ 

ফুটবলার থেকে মহমেডানের কর্তা, সকলেই ডুরান্ডের ফাইনাল ফাইট দেখার জন্য সমর্থকদের মাঠে আসার অনুরোধ করছেন। সমর্থকদের শক্তি দিয়ে বাজি জিততে চাইছে মহমেডান। অন্যদিকে প্রতিপক্ষের এফসি গোয়া সাদা কালো ব্রিগেডের সাপোর্টারদের নিয়ে চিন্তিত নয়। মাঠে ট্যাকটিক্যাল লড়াইয়েই বাজিমাত করতে চায় গোয়ার দল। এখন দেখার সমর্থকদের আবেগ আর ফুটবলারদের টিম স্পিরিট নাকি এফসি গোয়ার কৌশল, কে জেতে শেষ বাজি।

বন্ধ করুন