বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > বাড়ছে ভারতীয় ফুটবল মরশুম, ইউরোপের সঙ্গে তুলনা টেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ ISL জয়ী কোচের
আইএসএল জয়ী কোচ জন গ্রেগরি। ছবি- আইএসএল।

বাড়ছে ভারতীয় ফুটবল মরশুম, ইউরোপের সঙ্গে তুলনা টেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ ISL জয়ী কোচের

  • এবার থেকে ভারতে নয় মাস ধরে ফুটবল খেলা হবে।

বহুদিন ধরেই ভারতীয় ফুটবল মরশুম অত্যাধিক ছোট হওয়ায় তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে ২০২২-২৩ মরশুম থেকেই বদলাচ্ছে ছবিটা। আইলিগ জয়ী দল পরের মরশুমে তো আইএসএল খেলার সুযোগ পাচ্ছেই, পাশাপাশি বাড়ছে ফুটবল মরশুমের সময়সীমাও। এবার থেকে নয় মাস ধরে চলবে ভারতীয় ফুটবল মরশুম।

মরশুমের পরিধি বাড়ায় উচ্ছ্বসিত চেন্নাইয়িনকে ২০১৮ সালে আইএসএল জেতানো ব্রিটিশ কোচ জন গ্রেগরি। Times of India-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রেগরি জানান বর্ধিত মরশুমের ফলে একদিকে যেমন খেলোয়াড়রা ঠিকঠাক বিশ্রাম পেয়ে নিজের সেরাটা দিতে পারবেন, তেমনই কোচেরাও নিজেদের পরিকল্পনামাফিক দলকে প্রস্তত করতে যথেষ্ট সময় পাবেন। তিনি বলেন, ‘কোচ, খেলোয়াড় বা আধিকারিক, সকলের জন্যই নয় মাসের মরশুমটা অনেক বেশি সুবিধার। খেলোয়াড়রা সেরে ওঠার যথেষ্ট সময় পাবে, ফলে খেলার মান উন্নত হবে। কোচেদেরও নিজেদের পরিকল্পনাগুলি অনুশীলন পিচে প্রয়োগ করে দল গড়ে তুলতে সুবিধা হবে। বেশি দিনের প্রোজেক্টে যুক্ত হতে সকলেই চায়।’

আরও পড়ুন- FIFA Ranking: ভারতীয় পুরুষ ও মহিলা, দুই দলই এগিয়ে গেল তালিকায়, শীর্ষে কারা?

নতুন মরশুমে আইএসএল, আই লিগের পাশাপাশি সুপার কাপ ও ডুরান্ড কাপও খেলা হবে। বাড়তি ম্যাচ হওয়ায় খেলোয়াড়রা বেশি করে সুযোগ পাবে বলেই মনে করছেন গ্রেগরি, যা তাদের উন্নতিতে মদতও করবে। ‘খেলোয়াড়দের কেরিয়ারটা কে কত ট্রফি জিতল, ম্যাচ খেলল, সেই অনুযায়ীই বিচার করা হয়। বেশি টুর্নামেন্ট মানে ট্রফি জয়েরও বেশি সুযোগ। তরুণরা তো এই চ্যালেঞ্জই নিতে চায়। সেমিফাইনাল, ফাইনালে খেললে সেই অভিজ্ঞতার জেরে ওরা দ্রুত উন্নতিও করতে পারে। গত আইএসএলেই তো আকাশ মিশ্র, লিস্টন কোলাসো, কিয়ান নাসিরিরা তার প্রমাণ দিয়েছে। বড় বড় ম্যাচে খেলে ওরা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে।’ জানান তিনি।

আরও পড়ুন- ভাগ্য বদলাতে ১৬ লাখ টাকা দিয়ে জ্যোতিষী এনেছিল AIFF, যার ঠিকানাই ভুয়ো!

ভারতীয় ফুটবল যে অনেকটাই উন্নতি করেছে এবং তার ভবিষ্যৎ যে উজ্জ্বল সেই নিয়েও কোনও সন্দেহ নেই গ্রেগরির। ‘এবার থেকে ভারতীয় ফুটবলের মরশুমটাও অনেকটা ইউরোপিয়ান ফুটবলের মতো হবে। ভারতের ফুটবল ভবিষ্যৎ যে উজ্জ্বল, সেই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আমি তো নিজেই সেটা চাক্ষুষ করেছি।’ আশার সুর ব্রিটিশ কোচের গলায়। আসন্ন দিনে ভারতীয় ফুটবলের রূপরেখা অনেকটাই বদলাতে চলেছে। এই বদল আদতে কতটা লাভদায়ক হয়, এখন সেটাই দেখার।

বন্ধ করুন