বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিপদের দিনে মোহনবাগান ক্লাবের গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল
লাল-হলুদ সমর্থকদের বিপদে আশ্রয় দিল মোহনবাগান।
লাল-হলুদ সমর্থকদের বিপদে আশ্রয় দিল মোহনবাগান।

ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিপদের দিনে মোহনবাগান ক্লাবের গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল

  • বুধবার যখন ইস্টবেঙ্গল তাঁবুর বাইরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে, পুলিশ লাঠিচার্জ করছে, তখন পুলিশের মারের হাত থেকে বাঁচতে উদভ্রান্তের মতো দৌড়চ্ছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকেরা। সে সময়ে মোহনবাগান ক্লাবের দরজা লাল-হলুদ সমর্থকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন।

এমনিতে দুই দলের মধ্যে রেষারেষির অন্ত নেই। তা বলে পড়শি ক্লাবের সমর্থকেরা বিপদে পড়লে মুখ ঘুরিয়ে থাকার মানসিকতাও দেখাতে পারল না মোহনবাগান। বুধবার যখন ইস্টবেঙ্গল তাঁবুর বাইরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে, পুলিশ লাঠিচার্জ করছে, তখন পুলিশের মারের হাত থেকে বাঁচতে উদভ্রান্তের মতো দৌড়চ্ছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকেরা। সে সময়ে মোহনবাগান ক্লাবের দরজা লাল-হলুদ সমর্থকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন।

বুধবার লাল-হলুদ সমর্থকদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে লেসলি ক্লডিয়াস সরণী। আসলে লাল-হলুদ সমর্থকেরা নিজেদের মধ্যেই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের চুক্তিতে ক্লাব কর্তাদের সই না করা নিয়েই যত বিতর্ক এবং বিবাদ। সমর্থকদের একটা গোষ্ঠী, যারা ক্লাব কর্তাদের সমর্থনে ছিল। অন্য গোষ্ঠী ক্লাব কর্তাদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল তাঁবুর বাইরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জও করতে হয়। চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

পুলিশের দাবি, প্রায় আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে লেসলি ক্লডিয়াস সরণী অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকেরা। এর ফলে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছিল। বারংবার অনুরোধ করার পরেও, সমর্থকেরা সরে যাননি। সে কারণেই লাঠি চালাতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ।

এর পাল্টা দাবিও করেছেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকেরা। তাঁরা বলেছেন, পুুলিশ নির্বিচারে লাঠি চালিয়েছে। এই নিয়ে নেটপাড়া যখন সরব, তার মাঝেই এক লাল-হলুদ সমর্থক জানিয়েছেন, ‘বিপদের সময়ে দরজা খুলে দেওয়ার জন্য আমি মোহনবাগান ক্লাবকর্তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মোহনবাগান ক্লাব।’ এই বিষয়ে অনেক সমর্থকই সায় দিয়েছে।

বন্ধ করুন