বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > পেনাল্টি মিস নেইমারের, মেসির ৮০০তম ম্যাচে PSG-র অপরাজিত থাকার নজির ভাঙল নন্ট
৮০০তম ম্যাচের দিনটি হতাশায় ভরে গেল মেসির।

পেনাল্টি মিস নেইমারের, মেসির ৮০০তম ম্যাচে PSG-র অপরাজিত থাকার নজির ভাঙল নন্ট

  • লিগ ওয়ানে পিএসজি শেষ বার হেরেছিল গত বছর অক্টোবরে। রেনের কাছে ০-২ হেরে ছিল তারা। এরপর থেকে টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত ছিল পিএসজি। তবে শনিবার রাতে একেবারে নাস্তানাবুদ হয়ে হারতে হল মেসিদের।

লিগ ওয়ানে বড় ধাক্কা খেল প্যারিস সাঁ-জাঁ। টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার তাদের রেকর্ড ভেঙে দিল নন্ট। মেসির ৮০০তম ম্যাচেই একেবারে ধরাশায়ী হল পিএসজি। ১-৩ তারা ন্যান্টেসের কাছে হারল।

গত নভেম্বরে ঘরের মাঠে নন্টের বিরুদ্ধে ৩-১ জিতেছিল পিএসজি। সে দিনই লিগ ওয়ানে নিজের প্রথম গোল করেছিলেন মেসি। এ বার একই দলের বিপক্ষে ক্লাব ক্যারিয়ারের ৮০০তম ম্যাচের দিনটি মেসির কাছে বড়ই বিবর্ণ হয়ে গেল। নেইমার গোল করলেও, সেটা কোনও মূল্যই পেল না। একরাশ হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হল নেইমার, মেসি, এমবাপেদের।

লিগ ওয়ানে পিএসজি শেষ বার হেরেছিল গত বছর অক্টোবরে। রেনের কাছে ০-২ হেরে ছিল তারা। এরপর থেকে টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত ছিল পিএসজি। তবে শনিবার রাতে একেবারে নাস্তানাবুদ হয়ে হারতে হল মেসিদের। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করে পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে নেইমার ১ গোল শোধ করেও কোনও লাভ হয়নি।

২০১০ সালে এফসি সোচাক্সের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ৩ গোল হজম করেছিল পিএসজি। সেই ম্যাচও পিএসজি হেরেছিল ১-৩ গোলে। প্রায় ১২ বছর আবারও প্রথমার্ধে ৩ গোল হজম করল তারা।

অথচ পুরো ম্যাচে প্রায় ৭২ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছিল পিএসজি। তবু নেইমার, মেসি, এমবাপেরা গোলের মুখ খুলতে পারলেন না। আসলে নন্টের গোলরক্ষক আলবান লাফোন্ত এ দিন মেসিদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিলেন। যে কারণে গোলমুখী ৯টি শটের একটিও জালে জড়াতে পারেনি পিএসজি।

ম্যাচের একেবারে শুরুতেই ৪ মিনিটের মাথায় পিএসজি-র রক্ষণ নিজেদের গুছিয়ে ওঠার আগেই রান্দাল কোলে মুয়ানির গোলে ১-০ এগিয়ে যায় নন্ট। সেই ধাক্কা পিএসজি কাটানোর আগেই ১৬ মিনিটে ব্য়বধান বাড়ান কুয়েন্টিন মার্লিন। ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে চাপ বাড় পিএসজি-র। তবে তারা সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বরং প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে হ্যান্ডবলের কারণে পেনাল্টি পায় নন্ট। পেনাল্টি থেকে লুডোভিচ ব্লাস ৩-০ করতে কোনও ভুল করেননি। 

বিরতিতে ০-৩ পিছিয়েই ছিল পিএসজি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের একেবারে শুরুতেই ৪৭ মিনিটের মাথায় নেইমার ১-৩ করেন। আশার আলো দেখেন পিএসজি সমর্থকেরা। এর পর পেনাল্টি পায় পিএসজি। ২-৩ করার বড় সুযোগ পায় তারা। কিন্তু নেইমারের দুর্বল শট আটকে দেন নন্টের কিপার। আর গোলের মুখ খুলতেই পারেনি পিএসজি। ১-৩ ম্যাচটা তারা হেরে যায়।

বন্ধ করুন