বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > পিছু হটছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা, প্রাক্তনীদের বিবৃতির পর পালটা তোপ শান্তিরঞ্জনের
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুর সামনের দৃশ্য (ছবি:ফেসবুক)
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুর সামনের দৃশ্য (ছবি:ফেসবুক)

পিছু হটছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা, প্রাক্তনীদের বিবৃতির পর পালটা তোপ শান্তিরঞ্জনের

  • প্রাক্তনদের বিবৃতি হজম করতে পারছেন না লাল হলুদ কর্তারা, প্রাক্তনীদের উত্তর দিলেন শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত।

ইস্টবেঙ্গল কি আইএসএল খেলতে পারবে? লাল হলুদ কি এবারে ফুটবল খেলতে পারবে? নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ময়দানে। লগ্নিকারী সংস্থার চুক্তিতে সই না করার সিদ্ধান্তের পরেই নড়েচড়ে বসেছে ময়দান। কী হবে প্রিয় ক্লাবের ভবিষ্যৎ। এই জল্পনার মাঝেই ক্লাব কর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন ইস্টবেঙ্গলের বহু প্রাক্তন ফুটবলার। এবার সেই কথা গুলো কিছুতে হজম করতে পারছেনা লাল হলুদ ক্লাব। তাঁরা এবার প্রাক্তনীদের কথার জবাব দিচ্ছেন। কর্তাদের একটাই দাবি, প্রয়োজন হলে চুক্তিপত্র দেখে যাক প্রাক্তনীরা।

ক্লাবের অন্যতম কর্তা শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত জানাচ্ছেন, ‘মাঝে মাঝে কিছু মানুষের বক্তব্য দেখে খুব কষ্ট হয়, অসহায় লাগছে। কিন্তু বলা যায় না কিছুই। ইস্টবেঙ্গল যাতে আইএসএল খেলতে পারে, সে ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত বছর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আমরা ওঁর কাছে চির কৃতজ্ঞ। এখনও আমাদের সমস্যাটা উনি দেখছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে যখন উদ্যোগী হন, সেখানে অন্য কাউকে নিযুক্ত করাটা অনুচিত। তবু আমরা ক্লাবের সমস্যায় প্রাক্তনদের বারবার অনুরোধ করছি এগিয়ে আসার জন্য, ক্লাবের পাশে থাকার জন্য। আসলে ছেলেবেলা থেকে আমরা এটাই শিখেছি যে, মানুষ বিপদে পড়লে শুভানুধ্যায়ীরাই নিজে থেকেই এগিয়ে আসেন। তাঁদের আলাদা করে ডাকার প্রয়োজন হয় না।’

তিনি আরও জানান, ‘গত শুক্রবারের কার্যকরী সমিতির সভায় আমরা একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি, যেখানে লেখা আছে, সমস্যার সমাধান না হলে আমরা সদস্য, সমর্থক, প্রাক্তন খেলোয়াড় (ক্রিকেট, ফুটবল, হকি) সবার পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব। যে সব প্রাক্তন এখন ক্লাবের বিরুদ্ধে গিয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন, তাঁরা হয়তো এটা খেয়াল করেননি। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল, আমরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে বহু প্রাক্তন খেলোয়াড়ের সদস্যপদ করে দিয়েছি।’

প্রাক্তন ফুটবলারদের উদ্দেশ্যে শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত জানান, ‘ময়দানে সবাই জানে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব প্রাক্তন খেলোয়াড়দের কতটা সম্মান দেয়। আমরা সবসময় প্রাক্তনদের ক্লাবে আসার জন্য বলি। আমরা এটাও বলি, যে কোনও প্রাক্তন খেলোয়াড় ক্লাব পরিচালনার ক্ষেত্রে আমাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করতে পারেন। আমাদের এই কর্মসমিতিতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী, সমাজসেবী সর্বস্তরের লোক রয়েছেন। আর এই কর্মসমিতি সদস্যদের দ্বারাই গঠিত হয়। তাই আমাদের লড়াইটা ক্লাবের সভ্য-সমর্থকদের অধিকার রক্ষার লড়াই।’

বন্ধ করুন