বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > এসসি ইস্টবেঙ্গল আর পাঁচটা সাধারণ দলের মতোই, অবজ্ঞার সুর হাবাসের গলায়!
আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।
আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।

এসসি ইস্টবেঙ্গল আর পাঁচটা সাধারণ দলের মতোই, অবজ্ঞার সুর হাবাসের গলায়!

  • প্রথম ম্যাচে যেখানে মোহনবাগান জিতেছে ৪-২ গোলে । সেখানে ইস্টবেঙ্গল প্রথমে এগিয়ে গিয়ে ও ১-১ ফলে ম্যাচ ড্র করে। এমন আবহে দাঁড়িয়ে মোহনবাগান কোচ হাবাসের গলাতে ইস্টবেঙ্গলের জন্য শোনা গেল কিছুটা অবজ্ঞার সুর। আর পাঁচটা ম্যাচের থেকে এই ম্যাচকে আলাদা করে দেখছেন না, সে কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিলেন হাবাস।

শুভব্রত মুখার্জি: চলতি আইএসএলের মরসুম সবে মাত্র শুরু হয়েছে। মরসুমের প্রথম ম্যাচে কলকাতার দুই প্রধান এটিকে মোহনবাগান এবং এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভাগ্য সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে লেখা হল। প্রথম ম্যাচে যেখানে মোহনবাগান জিতেছে ৪-২ গোলে । সেখানে ইস্টবেঙ্গল প্রথমে এগিয়ে গিয়ে ও ১-১ ফলে ম্যাচ ড্র করে। এমন আবহে দাঁড়িয়ে মোহনবাগান কোচ হাবাসের গলাতে ইস্টবেঙ্গলের জন্য শোনা গেল কিছুটা অবজ্ঞার সুর। আর পাঁচটা ম্যাচের থেকে এই ম্যাচকে আলাদা করে দেখছেন না, সে কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিলেন হাবাস। ইস্টবেঙ্গল ম্যাচকে সাধারণ ম্যাচ বলেই ব্যাখ্যা করলেন তিনি।

প্রথম ম্যাচে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মোহনবাগানের হয়ে দু'টো গোল করেছিলেন বিদেশি হুগো বৌমাস। রয় কৃষ্ণ-বৌমাস জুটি যে ২৭ তারিখ ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডারদের মাথা ব্যথার কারণ হতে চলেছেন, তা বলাই বাহুল্য।

এটিকে মোহনবাগানের হেড কোচ আন্তোনিও হাবাস অবশ্য দলের এই পারফরম্যান্সের পরেও বেশ অখুশি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগানের বল পজেশন অনেকটাই কম ছিল। মিডফিল্ডে আধিপত্য বারবার বিস্তার করেছিল কেরল ব্লাস্টার্স। ২৭ তারিখ তাই ডার্বির আগে দলের ফাঁক ফোকরগুলো মেরামত করে নিতে উদ্যোগী হয়েছেন হাবাস। অনুশীলনটা আরও আঁটোসাঁটো ভাবে করাচ্ছেন হাবাস।

হাবাস জানিয়েছেন, ‘ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি নই। কারণ গোটা দলই রিল্যাক্স মুডে চলে গিয়েছিল খানিকক্ষণের জন্য। ও (বৌমাস) বেশ ভালো ফুটবলার। তবে দলে প্রত্যেক ফুটবলারকেই সেরা ফর্মটা ধরে রাখতে হবে।’

৬৪ বছর বয়সী হাবাস ডার্বি নিয়ে আলাদা চাপ নিতে রাজি নন। বিদেশি ফুটবলারদের খেলার মান উন্নয়নের জন্যও তিনি নজর দেবেন বলে জানিয়েছেন। সমর্থকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, দলের গড় বয়স কম। বেশ কিছু ভাল মানের ভারতীয় ফুটবলার রয়েছেন। যারা চলতি মরসুমে জাতীয় দলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবে বলেই তাঁর আশা।

আসন্ন ডার্বি প্রসঙ্গে হাবাস বলেছেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ আমার কাছে অন্য সাধারণ ম্যাচের মত। কারণ এই ম্যাচে জিতলে আমরা তো অতিরিক্ত ৫-৬ পয়েন্ট পাব না। ৩ পয়েন্টই পাব। ফলে ম্যাচটাকে আমি আর পাঁচটা ম্যাচের মতোই খেলতে চাই।’

বন্ধ করুন