বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > লাল-হলুদে না খেলার আফসোসটা রয়েই গেল, প্রয়াত মোহনবাগানের তারকা ফুটবলার
ভবানী রায়।
ভবানী রায়।

লাল-হলুদে না খেলার আফসোসটা রয়েই গেল, প্রয়াত মোহনবাগানের তারকা ফুটবলার

  • ভবানী রায় খেলাটা শুরু করেছিলেন মাঝমাঠে। হাফে খেলা ভবানীকে রাইট ব্যাকে খেলাতে শুরু করেন অমল দত্ত। সেখানেও সফল ভবানী। ওভারল্যাপে উঠে বিপক্ষের রক্ষণে চাপ বাড়ানোর কৌশলটা কিন্তু প্রথম শুরু করেছিলেন ভবানী। তাঁর দেখানো পথেই পরবর্তী প্রজন্ম হেঁটেছে।

প্রশান্ত ডোরা, চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের পর এ বার ভবানী রায়। এই বছরের শুরু থেকেই একের পর এক আঘাতে কলকাতা ময়দান যেন শোকে বিহ্বল। সোমবার সকালে সাড়ে আটটা নাগাদ মোহনবাগানের তারকা রাইট ব্যাক প্রয়াত হন। ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুখে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলে।

ভবানী রায় খেলাটা শুরু করেছিলেন মাঝমাঠে। হাফে খেলা ভবানীকে রাইট ব্যাকে খেলাতে শুরু করেন অমল দত্ত। ১৯৬৯ সাল তখন। মোহনবাগানের কোচ অমল দত্ত। ভবানী রায়কে ব্যবহার করতে শুরু করেন রাইট ব্য়াক হিসেবে। সেখানেও সফল ভবানী। ওভারল্যাপে উঠে বিপক্ষের রক্ষণে চাপ বাড়ানোর কৌশলটা কিন্তু প্রথম শুরু করেছিলেন ভবানী। তাঁকে ময়দানের ওভারল্যাপিং-এর জনক বলা হয়। তাঁর দেখানো পথেই পরবর্তী প্রজন্ম হেঁটেছে। মাঝমাঠ এবং রাইট ব্যাক ছাড়াও স্টপার এবং মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলেছেন ভবানী রায়।

১৯৬৬-তে মোহনবাগানে যোগ দিয়েছিলেন ভবানী। টানা সাত বছর সবুজ-মেরুন জার্সিতেই তিনি খেলে গিয়েছেন। ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন বালি প্রতিভা ক্লাব থেকে। তার পর ইস্টার্ন রেলে যোগ দেন। বাঘা সোমের কোচিং-এ তিনি আরও ক্ষুরধার হয়ে ওঠেন। একটা সময়ে মাঝমাঠে কালন গুহর সঙ্গে তাঁর জুটি ময়দানে নজর কেড়েছিল। মোহনবাগান ছাড়ার পর ভ্রাতৃসংঘে খেলে অবসর নেন ভবানী রায়। জাতীয় দল এবং বাংলার হয়েও খেলেছেন তিনি।

তবে ফুটবল জীবনে তাঁর একটাই আফসোস থেকে গিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলে না খেলার। বহু বারই অনেকের কাছেই তিনি পরবর্তী সময়ে বলেছিলেন, ইস্টবেঙ্গল তাঁকে ডাকলেও তিনি যাননি। এটা তাঁর জীবনের বড় আফসোস।

বন্ধ করুন