বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > ভিডিয়ো: মেজাজ হারিয়ে ১৪ বছরের ভক্তের মোবাইল ভাঙলেন রোনাল্ডো, ক্ষমা চাইলেন পরে
ফের বিতর্কে রোনাল্ডো।

ভিডিয়ো: মেজাজ হারিয়ে ১৪ বছরের ভক্তের মোবাইল ভাঙলেন রোনাল্ডো, ক্ষমা চাইলেন পরে

  • মাঠে রোনাল্ডোকে বহু বার মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছে। তবে এ বার মাঠের বাইরে রেগে গিয়ে ভক্তের ফোন ভেঙে বিতর্কে জড়ালেন ম্যান ইউনাইটেড স্ট্রাইকার। এই ঘটনার ভিডিয়ো মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে নিজের এই কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন রোনাল্ডো।

এত রাগ কেন হয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর? একেবারে ভক্তের মোবাইল আছাড় মেরে ভেঙে দিলেন তিনি! এই ঘটনায় আখেরে সমালোচনার মুখেই পড়তে হল সিআরসেভেন-কে। তবু নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না রোনাল্ডো।

মাঠে রোনাল্ডোকে বহু বার মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছে। তবে এ বার মাঠের বাইরে রেগে গিয়ে ভক্তের ফোন ভেঙে বিতর্কে জড়ালেন ম্যান ইউনাইটেড স্ট্রাইকার। এই ঘটনার ভিডিয়ো মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে নিজের এই কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন রোনাল্ডো।

শনিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাচ ছিল এভারটনের বিরুদ্ধে। এভারটনের কাছে হারায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যোগ্যতা অর্জনের দৌড় থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে ম্যান ইউনাইটেড। আর সেটাই মাথা গরম হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল রোনাল্ডোর। খেলেও দলকে জেতাতে না পারার যন্ত্রণা তিনি কিছুতেই যেন মেনে নিতে পারছিলেন না। সেই ম্যাচে ১-০ হেরে একেবারে মেজাজ বিগড়ে ছিল রোনাল্ডোর। তার উপর পা ছিল রক্তাক্ত। মাঠ থেকে বের হওয়ার সময়ে দেখা যায় তাঁকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে। ডান হাতে যে শিন প্যাড ধরেছিলেন, সেটিতেও রক্তের দাগ লেগেছিল। সব মিলিয়েই মেজাজ হারান তিনি। হঠাৎ করেই বিরক্ত রোনাল্ডো ১৪ বছরের ভক্তের হাতে ধরে থাকা মোবাইলটি আছড়ে মাটিতে ফেলে দেন। অনেকেই রোনাল্ডোর এমন কীর্তি দেখে হতভম্ব।

পরে অবশ্য নিজেই বুঝতে পারেন ভুলটা। এবং ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘আবেগ সামলানোটা অনেক সময়েই কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আমাদের সব সময় অন্যের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা উচিত। ধৈয্যশীল হওয়া উচিত। আমি প্রকাশ্যে রাগ দেখানোর জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি ওই সমর্থককে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পরের ম্যাচ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে চাই।’

১৪ বছর বয়সী সেই রোনাল্ডো ভক্তের নাম জ্যাক হার্ডিং। তার মা সারাহ কেলি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘খেলা শেষ হওয়ার পর ম্যান ইউনাইটেড ফুটবলাররা যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছিলেন, তখন আমার ছেলে তাঁদের ভিডিয়ো করছিল। প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই ভিডিয়ো করছিলো। এই সময়ে রোনাল্ডোও যাচ্ছিলেন, তখন আমার ছেলেও আরও ঝুঁকে পড়ে ভিডিয়ো করার চেষ্টা করছিল। কারণ, ওই সময়ে রোনাল্ডো নীচের দিকে ঝুঁকে গিয়ে নিজের মোজার গার্ড হাতে নিয়ে হাঁটতে শুরু করেছিলেন। ওই সময় দেখা যায়, ওঁর পা রক্তাক্ত। আমার ছেলে সেটাকেই ভিডিয়ো করার চেষ্টা করছিল। ও কোনও কথাই কিন্তু বলেনি। রোনাল্ডো দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিল। এই সময়ে হঠাৎ করেই মেজাজ হারিয়ে আমার ছেলের হাত থেকে মোবাইলটা নিয়ে আছাড় মেরে ফেলে দেন।’

বন্ধ করুন