বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > লাস্টবয় হওয়ার তকমা মুছতে নর্থইস্টকে হারাতে মরিয়া SC EB, চোট নিয়ে চিন্তায় রিভেরা
মারিয়ো রিভেরা।

লাস্টবয় হওয়ার তকমা মুছতে নর্থইস্টকে হারাতে মরিয়া SC EB, চোট নিয়ে চিন্তায় রিভেরা

  • ১৮ ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্ট এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তারা এখন আইএসএল তালিকার লাস্টবয়। ১৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেড একধাপ উপরে ১০ নম্বরে রয়েছে।

আইএসএল তালিকার লাস্টবয় এবং সেকেন্ড লাস্টবয় আজ মুখোমুখি হতে চলেছে। দুই দলেরই হারানোর আর কিছু নেই। বাকি ম্যাচ এখন নিয়ম রক্ষারই। কারণ বহু আগেই তারা আইএসএলের প্লে-অফে ওঠার লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছে। তবে নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও লিগ টেবলের একেবারে তলানি থেকে নিজেদের তুলে আনতে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে হারাতে মরিয়া এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিয়ো রিভেরা।

প্রথম লেগের ম্যাচে নর্থইস্টের কাছে ০-২ হেরেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। সে দিক থেকে দেখতে গেলে আজ লাল-হলুদের বদলা নেওয়ারও পালা। নর্থ ইস্টের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে যা বললেন রিভেরা: 

সবার নীচে থেকে লিগ শেষ করার হতাশা কাটাতে এই ম্যাচটা আপনাদের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমরা এই ম্যাচ জিতলে লিগ টেবলে একধাপ উপরে উঠে আসব এবং আমরা সেটাই চাই। লিগের শেষ দিকে আমরা ভালো খেলছি। কিন্তু এখনও আমাদের ভাল ফল পাওয়া বাকি আছে।

এখন আপনাদের কিছু হারানোর নেই। তা হলে শেষ দু'টো ম্যাচে আপনারা কী ধরনের খেলা দেখাতে চান?

গত দুটো ম্যাচেই আমরা জেতার জন্য মরিয়া ছিলাম। এই ম্যাচেও আমরা জয়ের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। প্রতিটা ম্যাচই আমরা জিততে চাই। এই ম্যাচেও সেই ভাবনা মাথায় নিয়েই মাঠে নামব।

দলের ফুটবলারদের সঙ্গে আপনার কী কথা হয়েছে? কী ভাবে উজ্জীবিত করবেন ওঁদের?

আমাদের গত চার-পাঁচটা ম্যাচ যদি দেখে থাকেন, তা হলে নিশ্চয়ই আলাদা করে বুঝিয়ে দিতে হবে না যে, কী ভাবে ওদের উজ্জীবিত রাখছি। প্রতি ম্যাচেই দল উন্নত পারফরম্যান্স করছে। উন্নত মানসিকতা, উন্নত পারফরম্যান্স, উন্নত আক্রমণাত্মক ফুটবল। সব দিক দিয়েই আমরা ভাল খেলছি। দলের মেজাজও সত্যিই খুব ভাল। অনুশীলনে সবাই খুব পরিশ্রম করছে, উপভোগও করছে। ওদের তাই আলাদা করে উজ্জীবিত করার প্রয়োজন আছে বলে মন হয় না।

দলে এখনও কোনও চোট-আঘাত সমস্যা আছে?

হ্যাঁ, এখনও কয়েকজনের চোট আছে। ফলে তারা খেলতে পারছে না। জ্যাকি সম্ভবত খেলতে পারবে না। ও গত কাল অনুশীলন করতে পারেনি। আজ আরও একবার পরীক্ষা করা হবে সবার, ক’জন খেলতে পারে দেখার জন্য।

এত পরে নেপালের ডিফেন্ডার অনন্ত তামাংকে দলে নেওয়ার কারণ কী?

কারণটা খুব সোজা। আমাদের একজন এশিয়ান কোটার খেলোয়াড় দরকার। টমিস্লাভ (মর্চেলা) অস্ট্রেলিয়া থেকে ভালো প্রস্তাব পেয়ে চলে গিয়েছে। সে জন্য আমাদের একজন এশিয়ান খেলোয়াড় দরকার। সেই জন্যই এই সেন্টার ব্যাককে নেওয়া হল।

গত কয়েকটি ম্যাচে আপনারা একাধিক ফর্মেশনে খেলেছেন। কালকের ম্যাচের ফর্মেশন বদল করবেন, নাকি বিপক্ষের কৌশলের ওপর নির্ভর করছে আপনাদের ফর্মেশন?

কৌশল ২০-৩০ শতাংশ নির্ভর করে বিপক্ষের ওপর। আধুনিক ফুটবলে একই ম্যাচে বিভিন্ন ফর্মেশন বদলে খেলা হয়। এতে ভাল খেলতে সুবিধা হয় এবং বিপক্ষের কাজ কঠিন করে তোলা যায়। গত তিনটি ম্যাচে যেমন ১৮জন খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে গিয়েছিলাম আমরা। প্রতি ম্যাচেই পারফরম্যান্সে উন্নতি হচ্ছে। এটা ভাল ইঙ্গিত। এ থেকেই বোঝা যায় দলের অনুশীলন ভাল হচ্ছে। সবাই খেলার জন্য প্রস্তুত। আর যখন সবাই খেলার জন্য তৈরি থাকে, তখন বিভিন্ন ফর্মেশনে খেলা যায়। পরের ম্যাচে আশা করি সবচেয়ে ভাল ফর্মেশনে খেলতে পারব।

বন্ধ করুন